
সম্প্রতি নাসা’র হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ব্যবহার করে কোয়াসারের কোরকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এর কোরটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের মাধ্যমে চালিত ঝলমলে এক গ্যালাকটিক কেন্দ্র বলে দাবি তাদের।
উল্লেখ্য মহাবিশ্বের উজ্জ্বলতম বস্তুগুলোর অন্যতম কোয়াসার। কারণ, এর কেন্দ্রে রয়েছে ব্ল্যাক হোল, যা এদের আশপাশের বিভিন্ন উপাদানকে প্রতিনিয়ত গ্রাস করে চলেছে।এ নতুন গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ফ্রান্সের,কোত দ্য’জুর মানমন্দিরের জ্যোতির্বিজ্ঞানী বিন রেন, যেখানে উন্মোচিত হয়েছে কোয়াসারের আশপাশের এক অদ্ভুত কাঠামো। যার মধ্যে রয়েছে রহস্যময় এক এল-আকৃতির ফিলামেন্ট ও বিভিন্ন আকারের বেশ কয়েকটি ব্লবের মতো বস্তু।কোয়াসারের কেন্দ্রে থাকা ব্ল্যাক হোলের ১৬ হাজার আলোকবর্ষের মধ্যে রয়েছে এসব বৈশিষ্ট্য। আর এই পরিবেশ কোয়াসার সম্পর্কে নতুন ধারণা দিয়েছে বিজ্ঞানীদের, যা এর অপরিসীম শক্তির খোরাক জুগিয়ে চলেছে।ব্ল্যাক হোলকে প্রদক্ষিণ করে এমন ছোট স্যাটেলাইট ছায়াপথ হতে পারে কোয়াসারের মধ্যে থাকা ব্লবের মতো এসব বস্তু। এমনকি ব্ল্যাক হোলে পড়ে যাওয়া উপাদানের উৎসও হতে পারে এসব ব্লব, যা কোয়াসারের আলোর উজ্জ্বলতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। পৃথিবী থেকে ২৫০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত,৩সি ২৭৩ নামের এ কোয়াসারটি। আর এটিই প্রথম আবিষ্কৃত কোয়াসার। ১৯৬৩ সালে এটি আবিষ্কার করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী মার্টেন শ্মিট।বিভিন্ন ধরনের কোয়াসার পর্যবেক্ষণের কাজ সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং।
কারণ এগুলো এত উজ্জ্বল হয় যে, এ তাদের আশপাশের বিভিন্ন কাঠামো দেখতে পাওয়া বেশ কঠিন।এখানে কোয়াসারের কেন্দ্র থেকে আসা এই আলোকে আটকাতে এক ধরনের করোনাগ্রাফ ব্যবহার করেছে হাবলস স্পেস টেলিস্কোপ ইমেজিং স্পেকট্রোগ্রাফ বা এসটিআইএস।








