
বচ্চন পরিবারে ফাটল ধরার খবর নতুন নয়।মাসখানেক ধরেই অভিষেক-ঐশ্বর্যর বিবাহ বিচ্ছেদের জল্পনা তুঙ্গে। শোনা যায়, ননদ শ্বেতা ও শাশুড়ি জয়া বচ্চনের সঙ্গে কোন্দলের জন্যই নাকি ঐশ্বর্য রাই বচ্চন বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।বলিপাড়ার অন্দরে মাসখানেক ধরেই এমন গুঞ্জন। সম্পত্তির জেরেই নাকি এহেন বিবাদ।
জুনিয়র দম্পতিও একাধিক অনুষ্ঠানে আলাদা উপস্থিতিতে সেই গুঞ্জনের পালে হাওয়া দিয়েছেন। সম্প্রতি অভিষেক বচ্চনের এক প্রতিক্রিয়া নিয়ে ডিভোর্সের জল্পনা আরও বাড়িয়েছে। একাংশের ধারণা, দাম্পত্য ভাঙার পোস্টে লাইক ঠুকে জুনিয়র বচ্চন সম্ভবত সিলমোহরই বসিয়েছেন বিবাহ বিচ্ছেদের খবরে।এসবের মাঝেই ঘুরে ফিরে আবারও নেটপাড়া অতীত খুঁড়ে ঐশ্বর্যর ফিল্মি কেরিয়ার নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়েছেন। আদৌ অভিনেত্রীর স্বল্প সংখ্যক ছবির নেপথ্যে জুনিয়র বচ্চন? কারণ,বিয়ের পর থেকেই খুব কম সিনেমায় দেখা যায় ঐশ্বর্য রাইকে!একা হাতে মেয়ে আরাধ্যাকে মানুষ করতেই নাকি অভিনেত্রী এহেন আত্মত্যাগ…,এহেন নানা অভিযোগের ভিড়। ফ্যান ফলোয়ারদের প্রশ্ন,বচ্চন বাড়ির বউমাকে কেন এখন আর আগের মতো পর্দায় দেখা যায় না? এবার অভিষেক-ঐশ্বর্যরদাম্পত্য অশান্তির মাঝেই জুনিয়র বচ্চনের এক মন্তব্য ভাইরাল হয়েছে।পোন্নিয়িন সেলভান টু সিনেমা দেখার পর অভিষেক বচ্চন এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন।তিনি লিখেছিলেন, দারুণ ছবি। বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। খুব ভালো লাগছে। ছবির কলাকুশলীদের অসংখ্য অভিনন্দন। আমার অর্ধাঙ্গিনীর জন্যও ভীষণ গর্ববোধ হচ্ছে।এখনও পর্যন্ত এটাই ওঁর সেরা ছবি। তাঁর এই পোসটের নিচেই জনৈক নেটিজেন মন্তব্য করেছিলেন যে, ঐশ্বর্যকে আরও বেশি করে সিনেমা করতে দিন। নজর এড়ায়নি জুনিয়র বচ্চনের। পালটা তিনি জবাব দেন, আমি ঐশ্বর্যকে ছবিতে কাজ করতে দেওয়ার কে? কোনও কিছুর জন্যই ওঁর আমার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। অভিনেতার সেই উত্তর মন জিতে নিয়েছিল নেটপাড়ার। অতঃপর এবার যখন আবারও অভিষেক-ঐশ্বর্যর দাম্পত্য অশান্তির গুঞ্জনে ভরে উঠেছে সোশাল পাড়া, তখন ঐশ্বর্যর ফ্যান ফলোয়ারদের ছেটানো কাদা মুছতে ব্যস্ত অভিষেক ফ্যান ফলোয়াররা। তাঁরা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, আদতে সম্পর্ক ওঁদের মধ্যে যাই হোক না কেন, বচ্চনবধূর ছবির অন্যতম গুণমুগ্ধ জুনিয়র বচ্চন। তাঁর কেরিয়ারে মোটেই অন্তরায় হয়ে দাঁড়াননি অভিষেক।









