গুরুত্ব শুভেন্দুকে, ক্ষোভ বাড়ছিল তাই

0
11
মুকুল রায়ের দলবদলের দিনেই বিজেপিতে বেসুরো তৃণমূল থেকে যাওয়া একগুচ্ছ নেতা। সব্যসাচী দত্ত থেকে অনুপম হাজরা, বৈশালী ডালমিযা থেকে আরও অনেকে। ইতিমধ্যেই সব্যসাচীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে বিজেপিতে। সেই মতো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হযেে।
দলীয় নেতৃত্ব সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যে অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হতে পারে, এমন ইঙ্গিতও দিয়েন সায়ন্তন বসুর মতো বিজেপির পুরনো নেতারা।  গুরুত্ব দিতে চাননি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।  বস্তুত, মুকুল যে দল বদলাচ্ছেন তা শুক্রবার সকালেও বুঝতে পারেননি রাজ্য বিজেপির নেতারা। অত্যন্ত গোপনে মুকুলের দলবদলের অপারেশন সেরেছে তৃণমূল নেতত্ব। দলনেত্রী প্রাক্তন সাথী সম্পর্কে প্রায় চার বছর পরেও যে দুর্বল তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নন্দীগ্রামে ভোটের দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে। সেখান থেকেই জল্পনার শুরু। যার শেষ হয়ে শুক্রবার বিকেলে তপসিয়া তৃণমূল ভবনে নেত্রীর পাশে মুকুল রায়ের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে। মুকুল ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, বিজেপি সর্বভারতীয পদ দেওয়া হলেও, রাজ্য সংগঠনের কার্যত ব্রাত্য করে রাখা হয়েছিল তাকে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে প্রচার, কোথাও মুকুল রায়কে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এক সময়ে সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে রাজ্য বিজেপির মধ্যে মাতামাতিতে নীরব হযে যাওয়া মুকুল নিজেই গুটিয়ে নিয়েছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রচারে। আর প্রথমবার বিধানসভায জিতে আসার এক মাসের মধ্যেই সেই বিজেপি ছেড়ে তণমূলে ফিরলেন মুকুল রায। ততক্ষণে এক সময় মুকুলের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা সব্যসাচী, অনুপমের সরব বিজেপির অন্দরে।