
কসবা ল’কলেজে গণধর্ষণে মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র আলিপুর আদালতের আইনজাবী। ৬ মাস আগেই তাঁকে কলেজে অস্থায়ী স্টাফ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত গভর্নিং বডি-র নির্দেশেই। এমনটা জানিয়েছেন ওই কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল।
ওই কলেজের প্রাক্তনী মনোজিৎ মিশ্র ইউনিট প্রেসিডেন্ট ছিলেন। কলেজের গভর্নিং বদি ঘনিষ্ঠও। এজন্য কলেজে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল। তাঁর সঙ্গে একাধিক তৃণমূল নেতানেত্রীর ছবি ভাইরাল হয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব এবং যুব নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। ২ দিন আগে দক্ষিণ কলকাতার যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে সার্থক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচিত হওয়ার পর মনোজিৎ মিশ্র তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে এসেছেন। সেই ছবিও রয়েছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-র সঙ্গেও তাঁর ছবি রয়েছে। তৃণমূলের একাধিক কর্মসূচিতেও তাঁকে দেখা যায়।
জানা গিয়েছে বুধবার কলেজের একটি অনষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। রাত সাড়ে ৭টা থেকে ১০টা ৫০-র মধ্যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে কলেজের গার্ড রুমে। মনোজিৎ ছাড়াও কলেজে থার্ড সেমিস্টারের দুই ছাত্র গণর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত। মনোজিতের নামে কলেজে দেওয়াল লিখনিও রয়েছে।





