
অবশেষে মেসেজিং প্লাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপন আনছে সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা। ফেসবুক এক হাজার ন’শ কোটি ডলারে হোয়াটসঅ্যাপ কেনার ১১ বছর পরের ঘটনা এটি, যেখানে হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপন চালু করতে যাচ্ছে এর মূল কোম্পানি মেটা।
প্লাটফর্মটির জন্য একে এক বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন অনেকেই। কারণ, এর আগে বিজ্ঞাপনের বিপক্ষে ছিলেন হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিষ্ঠাতারা।উল্লেখ্য,অনেক দিন ধরেই মেসেজিং প্ল্যাটফর্মটির পরিচিতি ছিল এমন এক অ্যাপ হিসেবে, যেখানে অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপ বা মেটার অন্য অ্যাপের মধ্যে থাকা নানা রকম অতিরিক্ত ফিচার ছিল না।তবে এখন প্লাটফর্মটির অ্যাপের স্ট্যাটাস অংশে বিজ্ঞাপনমূলক মেসেজ চালু করতে যাচ্ছে মেটা। কোম্পানিটি বলেছে, প্রতিদিন দেড়শ কোটি মানুষ ব্যবহার করে অ্যাপটি।হোয়াটসঅ্যাপের নীতিতে বড় এক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত এটি। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা ও ইউজারের প্রাইভেসির প্রতি কঠোর প্রতিশ্রুতির জন্য পরিচিত রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের।ইউজারদের প্রাইভেসির প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার অংশ হিসেবে বিজ্ঞাপনদাতারা ইউজারদের মেসেজের কনটেন্ট বা কে কাকে মেসেজ পাঠাচ্ছেন, এসব তথ্য ব্যবহার করতে পারবে না। তবে তারা ইউজারদের ভাষা বা তারা কোথায় থাকেন এমন কিছু ব্যক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন টার্গেট করতে পারবে।হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপন না রাখার সিদ্ধান্তটি ২০০৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কোম্পানির মূল নীতির একটি অংশ ছিল। এদিকে,২০১৪ সালে ফেসবুকের মালিকানায় চলে যায় হোয়াটসঅ্যাপ। পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ফেসবুক হয় মেটা।
এরপরের বছরগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিষ্ঠাতারা কোম্পানিটি থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। এ দুটি পরিবর্তনের কারণে অনেকেই সেই সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন, বিজ্ঞাপন প্রযুক্তিতে পরিচিত নাম মেটা কি এক সময় হোয়াটসঅ্যাপকেও বিজ্ঞাপন বা মার্কেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে?
