
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূল সমর্থিত কর্মী সংগঠন শিক্ষা বন্ধুর অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় ধৃত প্রাক্তনীর পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ধৃত মহম্মদ সাহিল আলি বীরভূমের বাসিন্দা, ভাড়া থাকেন বিজয়গড়ে। একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত সাহিল। শনিবারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট সাতটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এফআইআর দায়ের করেছে ওয়েবকুপার। অন্যদিকে ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে পড়ুয়াদের তরফেও এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। উল্লেখ্য, শনিবার ওয়েবকুপার বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁকে ঘিরে গোব্যাক, স্লোগানও দেন এসএফআই, আইসা, ডিএফএফের সদস্যরা।
সেই থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। পরে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, ধস্তাধস্তি, ক্ষোভ-বিক্ষোভে তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুরের পরিস্থিতি।
