
চন্দ্রনাথকে খুনে ব্যবহৃত গাড়ির পর বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। এয়ারপোর্ট আড়াই নম্বরের কাছে পাঁচিল দিয়ে ঘেরা একটি আবর্জনা ফেলার জায়গায় বাইক’ট পড়েছিল।
বাইকে একটি নম্বর প্লেট রয়েছে। যদিও পুলিশের অনুমান এই বাইকের নম্বর প্লেটটিও গাড়ির নম্বর প্লেটের মতই ভুয়ো। খুনে ব্যবহৃত সিলভার রংয়ের নিসান গাড়ির মতই বাইকের চেসিস নম্বরও নষ্ট করা হয়েছে। হ্যান্ডেলের নীচের একটি অংশে থাকা চেসিস নম্বর কিছু দিয়ে ঘষে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং তারপর রং করে দেওয়া হয়। বাইকের ইঞ্জিনের গিয়ারের নীচে থাকা ইঞ্জিন নম্বরও ঘষে তুলে দেওয়া হয়েছে। যাতে কোনওভাবেই বোঝা না যায় বাইকটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছিল।
তার জন্যই দুষ্কৃতীরা আঁটঘাট বেঁধে নেমেছিল। ঘাঁটনাস্থল থেকে ৫-৬ কিলোমিটার দূরে পাওয়া যায় বাইকটি। পুলিশের অনুমান রীতিমত পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে।




