গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

29 C
Kolkata
29 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle দুপুরের ঘুম ও ওজন বৃদ্ধি

    দুপুরের ঘুম ও ওজন বৃদ্ধি

    0
    16
    ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    দুপুরে খাওয়ার পর অনেকেরই ঘুম পায়। অফিসে হোক বা বাড়িতে, ভাত খাওয়ার পর চোখে ঘুম চলে আসা খুব সাধারণ একটি বিষয়।

    তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, দুপুরে ঘুমালে কি সত্যিই ওজন বেড়ে যায়?চিকিৎসকদের মতে, অল্প সময়ের দুপুরের ঘুম বা, পাওয়ার ন্যাপ শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং এটি শরীর ও মস্তিষ্ককে কিছুটা বিশ্রাম দেয় এবং কাজের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্বল্প সময়ের দুপুরের ঘুম স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে। বিশেষ করে ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের ছোট ঘুম শরীরকে চাঙা করে এবং ক্লান্তি কমায়।অফিসে বা বাড়িতে সুযোগ থাকলে ছোট একটি মিনি ন্যাপ উপকারী হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।তবে সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন দুপুরের ঘুম অনেক দীর্ঘ হয়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে,কেউ যদি দুপুরে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ঘুমান, তাহলে রাতের স্বাভাবিক ঘুমে সমস্যা হতে পারে। এতে শরীরের ঘুমের স্বাভাবিক চক্র নষ্ট হয়ে যায়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থাকতে রাতে নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দুপুরে বেশি ঘুমালে রাতে ঘুম কম হয়। এর ফলে রাত জাগার প্রবণতা বাড়ে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ঝোঁকও বাড়তে পারে। এদিকে,কম ঘুম হলে শরীরে ক্লান্তি বাড়ে। তখন শরীরচর্চা বা দৈনন্দিন কাজের আগ্রহ কমে যায়।এতে শরীর কম নড়াচড়া করে এবং অতিরিক্ত মেদ জমার ঝুঁকি বাড়ে।চিকিৎসকরা বলেন, ঘুম কম হলে শরীরে ঘ্রেলিন নামের একটি হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা খিদে বাড়ায়। অন্যদিকে লেপটিন হরমোন কমে যায়, যা মস্তিষ্ককে পেট ভরে যাওয়ার সংকেত দেয়। ফলে মানুষ অজান্তেই বেশি খেয়ে ফেলে।এ ছাড়া কম ঘুমের কারণে মানসিক চাপও বাড়তে পারে। তখন শরীরে কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়ে, যা ক্যালোরি খরচ কমিয়ে দেয়। এর প্রভাবেও ওজন বাড়তে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দুপুরে ঘুমাতে হলে অল্প সময়ের জন্য ঘুমানোই ভালো। দীর্ঘ সময়ের ভাতঘুম এড়িয়ে চললে শরীর সুস্থ থাকবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও সুবিধা হবে।