
আমেরিকার মধ্যস্থতায় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইজরায়েল এবং লেবানন। হিজবুল্লার সঙ্গে ইজ়রায়েলি সশস্ত্র বাহিনীর সংঘাত থামানোর বিষয়ে লিখিত ভাবে দু’ দেশ সম্মত হয়েছে। তারা আমেরিকার সঙ্গে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
তবে এতে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাকে কতটা দমানো যাবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, হিজবুল্লা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, তারা চুক্তির বাস্তবায়নে কোনও সহায়তা করবে না। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছিল। তার পর থেকেই আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে দেয় হিজবুল্লা।দেশ রক্ষার প্রয়োজনে লেবাননের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইজরায়েল এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাত চালাতে থাকে। লেবাননে ঢুকে পড়ে ইজরায়েলি সেনা। তাদের হামলায় পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে চার হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। হিজ়বুল্লার আক্রমণে ইজরায়েলের ৩২ জন সেনা আধিকারিক এবং চার নাগরিকও নিহত হয়েছেন। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ফেরানোর পথে লেবাননে ইজরায়েলের আগ্রাসনই ছিল অন্যতম কাঁটা। ইরান জানিয়ে দিয়েছিল, এই আগ্রাসন বন্ধ না হলে তারা কোনও চুক্তি করবে না।
সেই মতো আমেরিকার মধ্যস্থতায় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে লেবানন-ইজরায়েল। এর মধ্যে ওয়াশিংটনে ছিলেন লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা মোয়াদ এবং ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার। চুক্তির আগে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো বলেছেন, একটা কঠিন যাত্রায় আজ আমরা প্রথম পদক্ষেপ করলাম। নিঃসন্দেহে এই যাত্রা কঠিন হতে চলেছে। তবে একই সঙ্গে তা গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয়ও বটে। এছাড়া, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অর্থসাহায্যের কথাও জানিয়েছে আমেরিকা, যাতে লেবাননের সমগ্র ভূখণ্ড জুড়ে সার্বভৌমত্ব জোরদার হয়।
