
সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল শিল্পের জগতে বড় পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। শক্তিশালী বিভিন্ন এআই টুলের কারণে এখন যে কেউ কয়েক সেকেন্ডেই ছবি, গান বা লেখা তৈরি করতে পারেন।এজন্য আগের মতো দক্ষতা বা সময়ের দরকার হয় না, কেবল কিছু নির্দেশ দিলেই এআই বাকিটা তৈরি করে দিচ্ছে।তবে পেশাদার শিল্পী ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য এর মানে কী?
এ বিষয়টি সম্পর্কে কিছু ধারণা মিলেছে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস বা ইউসিএলএ-এর গবেষকদের করা নতুন এক গবেষণায়।এতে উঠে এসেছে, এটি একটি মিশ্র চিত্র অর্থাৎ ভালো ও খারাপ দুটোই রয়েছে এর মধ্যে।কোনো একটি বড় অনলাইন ইমেজ মার্কেটপ্লেস যখন এআইনির্ভর শিল্পকর্ম বিক্রি করতে দেয়, তখন কী ঘটে এ গবেষণায় তা দেখেছেন গবেষকরা। এমন পরিবর্তনের আগে সব ছবি মানুষই তৈরি করত, যেমন শিল্পী, ফটোগ্রাফার বা ডিজাইনাররা।তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ওপেনএআইয়ের নির্মিত চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি’র মাধ্যমে এআইয়ের দরজা খুলে দেওয়ার পর সবকিছু বদলে গেল।প্লাটফর্মে এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি ছবির সংখ্যা অনেক বেড়ে গেল ও নতুন বিক্রেতারা সাইটে যোগ দিতে শুরু করলেন। আর ক্রেতারাও নতুন ধরনের ছবি পছন্দ করলেন।একই সময়ে ভিন্ন রূপেরও দেখা মিলল, অনেক মানব শিল্পী ও নির্মাতা প্ল্যাটফর্মটি ছেড়ে যেতে শুরু করলেন।স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাপক স্যামুয়েল গোল্ডবার্গ বলেছেন, এ গবেষণায় ইঙ্গিত মিলেছে,জেনারেটিভ এআই কেবল নির্মাতাদের সাহায্যই করছে না, বরং তাদের জায়গাও দখল করে নিচ্ছে।
মানুষের কাজের ওপর প্রশিক্ষিত হয় এআই অর্থাৎ মানুষের তৈরি কাজ শিখে তারপর এরা এমন ছবি বানায় যেগুলো মানুষ আরও বেশি পছন্দ করে। ফলে কমে যাচ্ছে মানব শিল্পীদের তৈরি শিল্পের বিক্রি।এদিকে যেসব মার্কেটপ্লেসে এআইনির্ভর ছবি বিক্রি করতে দিয়েছিল সেখানে প্রতি মাসে নতুন ছবির সংখ্যা বেড়েছে ৭৮ শতাংশ। এ নতুন কনট্রিবিউটরদের অনেকেই এআই টুল ব্যবহার করছিলেন।







