
মুখ্যমন্ত্রী নয়, দলের নির্দেশে মুখ্যসচিবকে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন অখিল গিরি। তাও আবার হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। সংবিধান অনুযায়ী মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিতে হলে মুখ্যমন্ত্রীকে ইস্তফাপত্র পাঠানো হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠান।
কিন্তু অখিল গিরির ক্ষেত্রে দলই তাঁকে মুখ্যসচিবকে ইস্তফাপত্র পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। দলের নির্দেশে পদত্যাগ করলেও ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে অনড় অখিল গিরি। আবারও জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধি হিসেবে ক্ষমা চাইতে হলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চাইতে পারেন। কিন্তু কোনও আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাইবেন না। সোমবার সকালে এমএলএ হস্টেল থেকে রওনা হলেয় গাড়ির ঘুরিয়ে আবার ফিরে যান। সেখান থেকেই কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফাপত্র হোয়াটসঅ্যাপে ছবি তুলে পাঠিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যসচিবের দফতরে। কারণ মুখ্যসচিব তাঁকে ফোনে তেমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন। অখিল গিরি জানিয়েছেন বনদফতরের বিরুদ্ধে তাঁর যা অভিযোগ তা তিনি পরে লিখিতভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন ২০২৬ পর্যন্ত তিনি বিধায়ক রয়েছেন। বনদফতরের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ রয়েছে। রামনগরের বিধায়ক হিসেবে তিনি তাঁর আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। মহিলা রেঞ্জ অফিসারকে শাসানি দেওয়ার বিতর্ক শুরু হতে দলের নির্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া নতুবা মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় অখিল গিরিকে।
