
অযোধ্যার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাম মন্দিরের অর্থ তছরুপের অভিযোগ ওঠা মাত্র স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গঠন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে মন্দিরের দু’জন কর্মচারীকে অযোধ্যা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটের সদস্যরা। দুই কর্মচারীর কাছ থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনা দানা পাওয়া গিয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর।মন্দিরের নির্মাতা সংস্থা তথা রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র নির্মাণ ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পৎ রাই অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মন্দিরের দানের অর্থ তছরুপের অভিযোগ প্রসঙ্গে ট্রাস্টের প্রবীণ এই ব্যক্তির ভূমিকা নিয়ে নানা মহল থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সাধু সন্তদের সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতি। তিনি এবং ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একদা প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্রসহ সব সদস্যই কেন্দ্রীয় সরকারের মনোনীত। স্বভাবতই সেই মন্দিরের দানপাত্রে জমা হওয়া ভক্তদের অর্থ তছরুপের অভিযোগ ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর অফিসও অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকেও নিশানা করতে শুরু করেছে। কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি এই ইস্যুতে পথে নেমেছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে দাবি করা হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে শুধু সিট গঠন করলে হবে না।থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। এই দাবির উদ্দেশ্য হলো ট্রাস্টের শীর্ষ পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের।
আদালত এই আর্জি মঞ্জুর করলে ট্রাস্টেড চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র এবং সম্পাদক চম্পৎ রাইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে।








