
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে রেকর্ড গড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিউজিল্যান্ডের ওপেনার ফিন অ্যালেন।দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করে গড়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। তবে এত রেকর্ড ভাঙার পরও একটি বিশেষ পরিসংখ্যানে এখনো অটুট রয়েছে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির কীর্তি।
ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করেছেন অ্যালেন। দক্ষিণ আফ্রিকার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ,কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডি, মার্কো জানসেন কিংবা করবিন বোশ—কেউই তাকে থামাতে পারেননি। মাত্র ১৯ বলেই তুলে নেন ফিফটি, যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি।এরপর আক্রমণের গতি আরো বাড়িয়ে ৩৩ বলেই পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। আগের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল ৪৭ বলে, সেটিও ভেঙে দেন বড় ব্যবধানে। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৮টি ছক্কা। ৩৩ বলের ইনিংসে ১৮টি বলই বাউন্ডারি বা ছক্কায় পরিণত হয়, যা ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর তার সম্পূর্ণ আধিপত্যের প্রমাণ।তবে অ্যালেনের এমন দুর্দান্ত ইনিংসেও একটি জায়গায় এগিয়ে আছেন বিরাট কোহলি। সেমিফাইনাল বা ফাইনালে ৩০ বলের বেশি খেলা ইনিংসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ডট বলের রেকর্ড এখনো কোহলির দখলে।২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কোহলির অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসে ডট বল ছিল মাত্র তিনটি।অন্যদিকে অ্যালেনের ঝড়ো শতরানের ইনিংসে ডট বল ছিল চারটি। অর্থাৎ রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেও সেই বিশেষ পরিসংখ্যানে কোহলিকে ছুঁতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের এই ওপেনার।
তবে অ্যালেনের ইনিংস ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে আরো কয়েকটি কারণে। তার আটটি ছক্কা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোনো নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যানের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ।








