
দীর্ঘ উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুদ্ধ বন্ধে অবশেষে শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে আমেরিকা ও ইরান। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন এক বাস্তবতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যেখানে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়েছে ইসরায়েল।
চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ এবং পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন আলোচনার পথ তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই সমঝোতার ঘোষণার পরই ইসরায়েলে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সমালোচনায় সরব হয়েছে।
কয়েক মাস আগেও যেসব গণমাধ্যম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইসরায়েলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে তুলে ধরেছিল, তারাই এখন তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা সীমিত বা বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা উপস্থিতি কমানোর বিষয়েও আলোচনা তৈরি হতে পারে। এ কারণেই ইসরায়েলের কট্টরপন্থী মহল সমঝোতাটিকে কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং কৌশলগত পরাজয় হিসেবেও দেখছে।
