
বলিউডে তারকা–সন্তানদের অভিষেক নতুন কিছু নয়।কিন্তু সবার যাত্রাপথ এক রকম হয় না।
কেউ প্রথম ছবিতেই সুপারস্টার,কেউ আবার নিজের পরিচয় খুঁজতে লড়াই চালিয়ে যান বছরের পর বছর। জুনাইদ খান এখন ঠিক সেই দ্বিতীয় পথের যাত্রী। আর তাঁর পথচলার সবচেয়ে বড় বাস্তবতা,তিনি আমির খানের ছেলে।সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে জুনাইদ এমন কিছু কথা বলেছেন, যা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত হতাশা নয়, বলিউডের স্টার কিড বাস্তবতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে। এই স্বীকারোক্তি বলিউডে বেশ আলোড়ন তুলেছে। কারণ, সাধারণভাবে ধারণা করা হয়,তারকা–সন্তানদের জন্য পথ মসৃণ। কিন্তু জুনাইদের বক্তব্য যেন উল্টো গল্প শোনায়,খ্যাতিমান বাবার নাম যেমন দরজা খুলে দেয়, তেমনি সেটি অনেক সময় বিশাল এক ছায়াও তৈরি করে। উল্লেখ্য,সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া,এক দিন ছবিটি নিয়ে আশাবাদী ছিলেন জুনাইদ। ছবিটিতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী। এটি ছিল তাঁর বলিউড অভিষেকও। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী ছবিটি দর্শক টানতে পারেনি। বক্স অফিসে ছবির আয় হতাশাজনক।জুনাইদ সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন, তিনি নিজে ছবিটি খুব পছন্দ করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, অনেক মানুষ ছবিটি ভালোবেসেছেন, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ দর্শক সেটিকে গ্রহণ করেননি। তিনি এটাও বলেছেন,এমনটা কখনো কখনো হয়।এই সংক্ষিপ্ত স্বীকারোক্তির মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে বলিউডের নির্মম বাস্তবতা।একটি ছবি নির্মাণে বছরের পর বছর শ্রম যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দর্শকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আর সেই সিদ্ধান্ত সব সময় নির্মাতা বা অভিনেতার প্রত্যাশার সঙ্গে মেলে না।পাশাপাশি,জুনাইদের বক্তব্যের সবচেয়ে আলোচিত অংশ ছিল তাঁর বাবাকে নিয়ে বলা কথাগুলো।তিনি জানিয়েছেন, বাবা আমির খানের মাধ্যমে,এক দিন প্রযোজনা করা ছিল অনেকটাই আবেগের সিদ্ধান্ত।প্রথমে ছবিটি করার কথা ছিল,মহারাজ–এর পরিচালক সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রার সঙ্গে। শুটিংও দ্রুত শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জুনাইদ দ্বিতীয় মতামতের জন্য বাবাকে স্ক্রিপ্ট শোনান।
আর সেখান থেকেই বদলে যায় সবকিছু।আমির খান স্ক্রিপ্ট শুনে এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যে নিজেই ছবিটি প্রযোজনা করতে চান।তাঁর অনুভূতি ছিল, অন্যরা যখন ছেলের জন্য সিনেমা বানাচ্ছেন, তখন তিনিও একবার ছেলের জন্য ছবি বানাতে চান।








