
শৌচালয়ের অন্দরসজ্জা নিয়ে সেলেবদের অনেকেরই বাড়তি শখ থাকে।অমিতাভ বচ্চনের বাড়িতে গিয়ে তেমনই এক আতিশয্যের নিদর্শন ক্যামেরাবন্দি করেন বিজয় ভার্মা।
বিগ বি’র শৌচালয়ে ঢুকে একেবারে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার জোগাড় হয়েছিল অভিনেতার। এদিকে ফি রবিবার জলসার বাইরে অনুরাগীদের দর্শন দেন শাহেনশা। একাধিকবার তাঁর সুসজ্জিত বাংলোর অন্দরের ইতি-উতি দেখা গিয়েছে অভিষেক-ঐশ্বর্যর ফ্রেমে। কিন্তু তাই বলে সরাসরি বিগ বি’র শৌচালয়ে উঁকি? এমন কাণ্ডই ঘটিয়ে বসেছেন বিজয়। আর শুধু বাথরুমে ঢুকে শৌচকর্ম সেরেই ক্ষান্ত হননি তিনি। বরং সোনালি রঙের কমোড দেখে তার সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগও হাতছাড়া করেননি বিজয় ভার্মা। আর সেই লাখ টাকার ফ্রেম নিজেই শেয়ার করে টিনসেল টাউনে শোরগোল ফেলেছেন অভিনেতা বিজয় ভার্মা। বচ্চনদের অগোচরে কখন এমন কাণ্ড ঘটালেন তিনি, প্রশ্ন হতভম্ব ফ্যান ফলোয়ারদের।আসলে এই ছবি আজকের নয়। বছর দশেক আগে সেলেবমহল যখন,থ্রো ব্যাক ২০১৬’র ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছে, তখন বিজয় ভার্মাও নস্ট্যালজিয়ার সাগরে ডুব দিয়েছেন। সেবছর সুজিত সরকার পরিচালিত,পিঙ্ক সিনেমায় অমিতাভের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন বিজয়। সেই সুবাদেই বিগ বি’র বাড়িতে আমন্ত্রিত ছিলেন। আর তখনই শৌচালয়ে ঢুকে সোনালি কমোডের সঙ্গে সেলফি তোলেন অভিনেতা। দীর্ঘ দশ বছর বাদে সেই ছবি শেয়ার করে বিজয়ের রসিক মন্তব্য, ২০১৬ সালটা আমার জন্য একপ্রকার মাইলফলক ছিল। চমৎকার কাস্ট-ক্রুদের নিয়ে পিঙ্ক সিনেমায় বিগ বি এবং সুজিতদার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম আমি। ঈশ্বর শচীন তেন্ডুলকরের সঙ্গেও দেখা করেছিলাম।
আর সেবছরই বচ্চনজির বাড়িতে একটি সোনালি টয়লেটের সঙ্গে সেলফি তোলার সুযোগ পাই। বিজয়ের সেই পোস্ট দেখেই হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরেছে ফ্যান ফলোয়ারদের।
