টিকার ব্যবধানে আতঙ্ক নয়-কেন্দ্র 

0
23

কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের মাঝের ব্যবধান নিয়ে আতঙ্কিত কিংবা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই,  কেন্দ্রের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষ বর্ধন শনিবার টুইটে জানিয়েছেন, কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের বদলে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্তটি দেশের করোনা পরিস্থিতির উপর বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।

 

পরবর্তী সময়েও যদি সিদ্ধান্তে কোনও পরিবর্তন আনা হয়, তা এনটিএজিআই-র পরামর্শেই এক নীতি মেনেই হবে। মূলত ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের মাঝখান ব্যবধান কম করলে তার কার্যকারিতা বেশি হবে এই ধরনের একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের প্রেক্ষিতে নীতি আয়োগের সদস্য ডঃ ভিকে পল জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান কমানোর জন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক গবেষণার। এ ছাড়াও  তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিনের ডোজ়ের মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্যানেলের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা ভ্যাকসিনের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের মধ্যে সময় কম রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যদিকে,আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ডঃ অ্যান্টনি ফসি জানিয়েছেন ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের মাঝখানে ব্যবধান বাড়ালে করোনার নতুন প্রজাতি বা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।  ভারত সরকার একাধিক ধাপে দু’টি টিকার ব্যবধান বৃদ্ধি করেছে। সেই বিষয়ে জবাব দিতে গিয়েই এ কথা বলেছেন ডঃ ফসি। এ ছাড়াও তিনি বলেছেন, এমআরএনএ ভ্যাকসিনের মধ্যে আদর্শ ব্যবধানের সময় হল ৩-৪ সপ্তাহ। ফাইজ়ার ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ৩ সপ্তাহ এবং মডার্নার দুটি ডোজ়ের ক্ষেত্রে ৪ সপ্তাহের ব্যবধান রাখা উচিত। দুটি ডোজ়ের মধ্যে বেশি ব্যবধান বাড়ালে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ব্রিটেনেও ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ়ের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়েই অনেকে নয়া ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হতে পারেন