
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি একজন সদস্যকে সিভিকে চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সিঙ্গুরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন বুধবার কিছু বন্ধু প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন।
ইতিমধ্যে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসরা গিয়েছেন। মৃতদের পরিবারের পাশে থাকতে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণার কথা জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আনন্দ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও আনন্দপুরে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে নিয়ে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার অগ্নিকাণ্ডের পর এখনও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনন্দপুরের নাজিরাবাদে যান নি। সেই প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে ঘটনা ঘটলেও তিনি যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। অথচ আনন্দ অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। এতেই প্রমাণিত হয়েছে এরাজ্যে সরকার নেই। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন বৃহস্পতিবার বিজেপির প্রতিনিধি দল আনন্দপুরে যাবেন। ওই দলে ২০ জন বিজেপি বিধায়ক থাকবেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রতিবাদ মিছিল আনন্দপুর থানায় যাবে। তারপরেও ব্যবস্থা না নিলে স্বজনহারা পরিবারগুলোকে নিয়ে সচিবালয়ে ধর্নার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিকে আনন্দপুরকাণ্ডে ডেকরেটসের গুদামের দিকে আঙুল তুলেছে মেমো কোম্পানি। বিবৃত্তি দিয়ে জানিয়েছে পাশের গুদামে রান্না করা হচ্ছিল, সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়েছে। তাঁদের তিনজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
