আনচেলত্তির আক্ষেপ পেনাল্টি বাতিল হওয়ায়

0
125
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

ভিএআর পরীক্ষার ওই একটু সময়কেও কখনও কখনও মনে হয় অনেক লম্বা। এবার তো সত্যিই সময় লাগল বেশ অনেকটা। মনে হচ্ছিল যেন অন্ততকাল,রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালেও চলছিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। ভিএআর রেফারিরা দীর্ঘ সময় পরীক্ষা করলেন, এরপর মাঠের রেফারি ছুটে গিয়ে চোখ রাখলেন মনিটরে। এরপর যে সিদ্ধান্ত দিলেন, তা হতাশার স্রোত বইয়ে দিল রিয়াল মাদ্রিদে।

পেনাল্টি বাতিল, রিয়ালের কোচ কার্লো আনচেলত্তির মতে, এই পেনাল্টি পেলেই ম্যাচের চিত্র হতে পারত অন্যরকম।এর কিছুক্ষণ আগে অবশ্য পেনাল্টি নাটকের প্রথম দফা মঞ্চস্থ হয়ে যায়। সেই পেনাল্টি ছিল আর্সেনালের। ভিএআর দেখেই রেফারি সিদ্ধান্ত জানান, আর্সেনালের মিকেল মেরিনোকে ফাউল করেছেন রিয়ালের তরুণ ডিফেন্ডার রাউল আসেন্সিও। যদিও বল ছিল অনেক দূরে এবং বক্সে এসেছেও খানিকটা পরে। কিছুটা হলেও সংশয়ের অবকাশ সেখানে আছে।তবে ম্যাচে সেটা কোনো পার্থক্য গড়ে দেয়নি। সাকার দুর্বল পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন রিয়ালের গোলকিপার থিবো কর্তোয়া। এরপর ২৩ মিনিটে আনচেলত্তির আক্ষেপের সেই অধ্যায়।ডেক্লান রাইসের বাধায় কিলিয়ান এমবাপে বক্সে পড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।দ্রুতই হলুদ কার্ড দেখান রাইসকে।

তবে আর্সেনালের মিডফিল্ডার ও তার সতীর্থরা মানতেই পারছিলেন না। রাইস বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন, এমবাপেকে তিনি পেছন থেকে হাত বাড়িয়ে ধরে রাখলেও তা মাটিতে পড়ে যাওয়ার মতো জোরাল ছিল না।আর্সেনালের প্রতিবাদের মুখে ভিএআর পরীক্ষা করা হয় সাধারণ সময়ের চেয়ে অনেকটা বেশি সময় নিয়ে। পরে রেফারি গিয়ে মনিটর দেখে তুলে নেন নিজের সিদ্ধান্ত।