
চিন সফর সেরে আমেরিকায় ফিরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ইরানের বিষয়ে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে।পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন এবং ইজরায়েলি বাহিনী প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবুজ সঙ্কেত দিলেই ফের হামলা শুরু হয়ে যাবে।
অন্য দিকে, ইরান আরও বিধ্বংসী প্রত্যাঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। নিউ ইয়র্ক টাইম্সের রিপোর্টে দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ভাবনাচিন্তা চলছে। খবর, সব রকম সম্ভাবনার জন্যই পৃথক পরিকল্পনা করে রেখেছেন ট্রাম্পের সহকারীরা। ইরানে ফের হামলা শুরুর প্রস্তুতি চলছে। কী কী ভাবে সেই হামলা হতে পারে, আগের চেয়ে হামলার ধরনে কোনও পরিবর্তন করা হবে কি না, তা-ও আলোচনায় রয়েছে। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে চলেছে পাকিস্তান-সহ একাধিক দেশ। তাদের প্রতিনিধিরাও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে অনবরত যোগাযোগ রাখছেন বলে খবর। ইরানকে হরমুজ প্রণালী খোলার জন্য রাজি করানোর চেষ্টা চলছে। যদি তা সম্ভব হয়, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেটাকে নিজের জয় বলে প্রচার করতে পারবেন।
ইরানে লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করে এই যুদ্ধ অনেক আমেরিকান ভোটারই ভাল চোখে দেখছেন না। তাই তাঁদের সামনে যুদ্ধের কোনও না কোনও সাফল্য তুলে ধরতে চান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁর নীতি যে ব্যর্থ হয়নি, তা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে প্রেসিডেন্টের। এদিকে জিনপিঙের সঙ্গে ইরান নিয়ে ট্রাম্পের আলোচনা হয়েছে। কৌশলগত দিক থেকে ইরানের সহযোগী চিন। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে চায় বেজিংও। তাদের পণ্য পরিবহণেও হরমুজ় অন্যতম ভরসা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানকে এ বিষয়ে কোনও চাপ দিক চিন বা, জিনপিঙের কাছে এমন আবদার তিনি করেননি।







