
আইসিকে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির অভিযোগে অনুব্রত মণ্ডলকে ৪ ঘণ্টার সময় বেধে দিয়েছিল তৃণমূল। তার আগেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা ক্ষমা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন।
এর পিছনে চক্রান্ত রয়েছে বলে প্রশ্নও তুলেছেন। চিঠিতে তিনি লিখেছেন সাম্প্রতিক ঘটনায় তিনি দুঃখিত। দিদির পুলিশের কাছে একবার কেন, একশোবার ক্ষমা চাইতে পারেন। আসলে তিনি নানারকম ওষুধ খান, দিদির পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কোনও অভিযোগ করলে মাথা গরম হয়ে যায়। এক তৃণমূল কর্মী ছেলেকে পুলিশ মারধর করেছে। ওটা শুনেই মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল। তাঁর অভিযোগ ওই পুলিশও খারাপ কথা বলেছে। শেষে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশের সঙ্গে কথোপকথনের অডিও বিজেপি পেল কি করে।
এর পিছনে চক্রান্ত নেই তো। বোলপুরের আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল। এরপরেই বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার জন্য ৪ ঘণ্টার সময় বেধে দেওয়া হয়।





