
বোলপুরের আইসিকে অশ্রাব্যভাষায় গালাগালি, হুমকিকাণ্ডে ২ ঘণ্টা জেরার পরেও অনুব্রত মণ্ডলের মোবইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়নি।
অথচ অভিযোগকারী আইসি লিটন হালদারের দুটো ফোনই আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল ফেসটাইম অ্যাপ ব্যবহার করেই বোলপুরের আইসিকে ফোন করেন বলে জানা যায়। পুলিশের বক্তব্য কল ডিটেলস থেকেই অনুব্রত মণ্ডলের সব ডিটেলস পাওয়া যাবে। তাছাড়া অনুব্রত মণ্ডল নিজেই ফোন করার কথা স্বীকার করেছেন। যদি জেরায় পাওয়া তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি মেলে তবেই অনুব্রত মণ্ডলের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হবে। এদিকে বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অশ্রাব্যভাষায় গালাগালি, হুমকিকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে ২ ঘণ্টা জেরা করেছেন এসডিপিও রিকি আগরওয়াল। জেরাপর্বে ছিলেন অ্যাডিশনাল এসপি রানা মুখোপাধ্যায়ও। মূলত কী কারণে আইসিকে ফোন করেছিলেন। কেনই বা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছিলেন। বোলপুরের আইসি-র সঙ্গে কথোপকথনে সুদীপ্ত বলে একজনকে মিটিং ডাকতে, থানা ঘেরাও করতে বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। সুদীপ্ত সেই সময় অনুব্রতর সঙ্গে ছিলেন কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়। ওই দিন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাও কথা বলেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার ব্যাপারেও জানতে চাওয়া হয়। মূলত সব বিষয়ে খুঁটিয়ে জেরা করা হয়েছে তৃণমূল নেতাকে। এই ঘটনায় দুটি জামিন অযোগ্য ধারা সহ ৪ টি ধারায় মামলা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার ৭দিন ধরে অন্তরালেই ছিলেন কেষ্ট। বার বার তলব এড়ানোর পর বৃহস্পতিবার সবার নজর এড়িয়ে দুপুর সাড়ে ৩ টের কাছে পিছনের গেট দিয়ে এসডিপিও অফিসে যান। এরপর সাড়ে ৫টার দিকে ২ ঘণ্টার জেরাপর্ব সেরে যখন বাইরে বেরিয়েছেন তখন তাঁকে হাসিমুখেই দেখা গিয়েছে। যদিও তিনি কোনও মন্তব্য না করেই একটি কালো গাড়িতে উঠেছেন। ওই গাড়িটি অনুব্রত মণ্ডলের নয়। টোল ব্যবসায়ীর গাড়ি করেই এসডিপিও অফিস ছাড়েন তৃণমূল নেতা। এসডিপিও অফিস যাওয়া নিয়েও যথেষ্ট সাবধানী ছিলেন অনুব্রত। গাড়িতে ছিলেন শুধুই ব্যক্তিগত সচিব বিশ্বরূপ।
পিছনের সিটে বসেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এসডিপিও অফিস থেকে অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি সোজা বোলপুরের তৃণমূল পার্টি অফিসে গিয়ে থামে। এরপর পার্টি অফিসে ঢুকে যান তৃণমূল নেতা। তবে জেরার প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল।





