
আহত ছাত্র-র জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেও কিন্তু যেভাবে অধ্যাপকদের ছাত্ররা মারধর করেছে সেটাও কাম্য ছিল না। যাদবপুরকাণ্ড নিয়ে রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
তিনি বলেছেন যে ছাত্র আহত হয়েছে তার জন্য তিনি দুঃখিত। তার পরিবারের কাছেও তিনি দুঃখিত। ব্রাত্য বসু আরও বলেছেন শনিবার অন্তত ৪০-৫০ জনের ছাত্রদের গ্রুপ ছিল। এরাই ওই চত্বরে বিশৃঙ্খলা করছিল। তৃণমূলের পাশাপাশি এসএফআইয়ের ডেপুটেশনও নেওয়া হয়েছে। তারপরেও বিশৃঙ্খলা করেছে। ব্রাত্য বসু অভিযোগ করেছেন। তিনি ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওরা দাবি করতে থাকে চল্লিশজনের সঙ্গেই কথা বলতে হবে। তখন তিনি জানায় এটা পদ্ধতি নয়। কথা বলতে ৪ জন আসুক। কিন্তু বিক্ষোভরত ছাত্ররা দাবি করতে থাকেন ওখানেই কথা বলতে হবে এবং সবার সঙ্গে কথা বলতে হবে। তিনি বিকাশভবনে আসার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি তাঁরা। ৪০ জনের সঙ্গে কথা বলার দাবিতে অনড় থাকেন ছাত্ররা। এরপরেই তাঁকে আক্রমণের শিকার হতে হয় বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি জানিয়েছেন এরপরেই শুরু হয় জুতো ছোড়া, গাড়ির ওপর চড়ে বসা, ভাঙচুর। এখানে শুধু ওরাই রাজত্ব করবে, এটা কী ধরণের গণতন্ত্র প্রশ্ন তুলেছেন ব্রাত্য বসু।







