সিকান্দারের ভরাডুবির কারণ 

0
100
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

দীর্ঘ দু’ বছর পর  নতুন সিনেমা সিকান্দার নিয়ে বড়পর্দায় ফিরেছিলেন বলিউডের ভাইজান সালমান খান। তবে ফ্যান ফলোয়ার থেকে সাধারণ দর্শক পর্যন্ত যে আকাশছোঁয়া প্রত্যাশা করেছিলেন, তা পূরণ হয়নি।

ছবিটি দর্শকের মনে কোনো দাগ কাটতে পারেনি।বলা হয়েছে, বক্স অফিসে সিকান্দার হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক এ আর মুরুগাদোস এই ব্যর্থতার দায় নিজেই নিয়েছেন।সাক্ষাৎকারে এ আর মুরুগাদোস বলেছেন, আসলে ছবির মূল গল্প ছিল আবেগঘন।এক রাজার কাহিনি, যে নিজের স্ত্রীকে কোনোদিন বোঝেনি।আমরা সবাই কমবেশি এমনই,মা, বন্ধু বা স্ত্রী, সম্পর্কের মূল্য অনেক সময় বুঝতে পারি না। যখন তারা আমাদের ছেড়ে চলে যান, তখনই অপরাধবোধ চেপে ধরে। ছবিতে রাজা যখন স্ত্রীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে, তার অঙ্গ দান হয়ে যায় তিনজনের শরীরে।তার কথায়,এরপর রাজা তাদের খুঁজে বের করেন, স্ত্রীর জন্য যা যা করতে পারেননি, সেই সব পূরণ করার চেষ্টা করেন।এভাবেই গোটা একটি গ্রাম তার আপন হয়ে ওঠে। গল্পটা ছিল আবেগঘন, কিন্তু তিনি ঠিকমতো তা পর্দায় ফুটিয়ে উঠাতে পারেন নি।পরিচালকের ভাষ্যে, তিনি গজিনি করতে পেরেছিলেন কারণ ওটা রিমেক ছিল। আগে থেকেই সেটার উপর তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু সিকান্দার ছিল অরিজিনাল, তাই সেই জায়গায় তিনি স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। এ আর মুরুগাদোস এটা বলছেন না যে তিনি হিন্দি সিনেমায় আর ফিরবেন না। অবশ্যই ফিরবেন,তবে নিজের কমফর্ট জোনে। দর্শক যখন তাঁর ভাবনার সঙ্গে সংযোগ খুঁজে পায় না, তখন সেটা তাকে খুব আঘাত করে।প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মুরুগাদোস প্রথম বলিউডে পা রাখেন গজিনি দিয়ে।

নিজের তামিল ছবির রিমেক হিসেবে নির্মিত এই থ্রিলার হিন্দি সিনেমায় ব্লকবাস্টার হয়।আমির খান, আসিন, জিয়া খান এবং প্রদীপ রাওয়াত অভিনীত ছবিটি বাজেট ছিল ৫২ কোটির, আর আয় করেছিল প্রায় ১৯৪ কোটিরও বেশি।