
আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে ধারাবাহিকভাবে পথে নামছেন সর্বস্তরের মানুষ। বহু মানুষের মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছিল, এই ঘটনায় অরিজিৎ সিং চুপ কেন? ফ্যান ফলোয়াররা তাকে ঘরের ছেলে মনে করেন।
তাই প্রতিবাদমুখর পরিস্থিতিতে তার অনুপস্থিতি ভাবিয়ে তুলেছিল শ্রোতাদের।বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির অভিনেতা,সঙ্গীতশিল্পীরাও পথে নেমেছিলেন। ছিলেন না তিনি। অবশেষে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অরিজিৎ সিং। এবার সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডলে লাইভে এসেছিলেন অরিজিৎ সিং।সেখানে সরাসরি তিনি বলেছেন, পথে নেমে গেলেই তো হল না।বিশৃঙ্খলা হলে মুশকিল। সবাই তো নামছে পথে। আমরা রয়েছি পাশে। হিতে বিপরীত হলে হবে না। কেউ যদি ভাবে সুযোগ নেবে, নিতে পারে। যারা রাগাচ্ছে, তোমরা তাদের কথায় রেগে যেয়ো না। তারাও কষ্টের জায়গা থেকে এই কথাগুলো বলছে।অরিজিৎ সিং জানিয়েছেন , অনেক চিন্তাভাবনা করে পদক্ষেপ করতে হয় শিল্পীকে।আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে হলে, তাকে এত ভাবতে হত না। তার কথায়, তোমাদের মতো স্বাধীনতা নেই আমার।তোমরা প্রতি দিন রাস্তায় বেরোতে পারো। আমি তা পারি না। তোমরা যেভাবে বিচরণ করো, আমাকে তা করতে দেওয়া হয় না। আমি পথে নামলে সেলফি তোলার ভিড় হবে।অনেকে ভাবছে আমি বেরোলে আমার সঙ্গে ওরাও হাঁটবে। অত ভিড় বাড়িয়ে কী হবে? তবে এ সবের মধ্যেও ইতিবাচক দিক খুঁজে নিয়েছেন তিনি। অরিজিৎ সিং জানিয়েছেন, তিনি পথে নামবেন কি না, তা নিয়ে রাজনীতি করার কোনও মানে হয় না। খুব তুচ্ছ ব্যাপার।বলেছেন,যারা কথা বলছেন বলুন।এতেও জনমত তৈরি হবে।বিতর্ক হলেও ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা তো হবে।একইসঙ্গে সমাজ হয়তো বদলাচ্ছে,কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আছে এখনও,মত গায়কের। ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে তারও। তার দাবি,ইতিমধ্যেই সে সব প্রশ্ন প্রকাশ্য এসেছে।কিন্তু সেই সব প্রশ্নের উত্তর নেই। অন্যভাবে উত্তর দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সেই উত্তর সন্তোষজনক নয়। আমরা ব্যর্থ, না হলে কি এ ভাবে কারও মৃত্যু হয়? প্রশ্ন তুলেছেন গায়ক অরিজিৎ সিং।একই সঙ্গে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন,নাগরিক হিসাবে যা কর্তব্য তা পালন করতে হবে।আইন হাতে নেওয়ার অধিকার নেই নাগরিকদের।তবে যারা আইন সংক্রান্ত দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা যদি ঠিকঠাক কাজ না করেন তা হলে সমস্যা।








