
বিজেপির চক্রান্তে ফাঁদে পড়েছে সেনা। মেয়ো রোডে তৃণমূলের আধখোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে এভাবেই সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ময়দানের মতো সেনা-অধীনস্থ এলাকায় সভা বা অনুষ্ঠান করার অনুমতি সর্বোচ্চ দু’দিনের জন্য দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও সেই কথাই বলা আছে।
এর বেশি সময়ের জন্য অনুমতি নিতে হয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছ থেকে। অথচ দু’দিনের অনুমতি নিয়ে প্রায় ১ মাস ধরে অস্থায়ী প্যান্ডেল দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও আয়োজকরা সেটি সরাননি। শেষপর্যন্ত কলকাতা পুলিশকে জানিয়ে সেনাবাহিনীর তরফে মঞ্চ খোলার ব্যবস্থা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সেনার তরফে এই মঞ্চ খোলা হলেও এর নেপথ্যে বিজেপির ইন্ধন থাকতে পারে বলে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তিনি যখন গান্ধীমূর্তির পাদদেশে পৌঁছান প্রায় ২০০ জন সেনাকর্মী তাঁকে দেখে ছুটে পালাচ্ছিলেন।
পরে এ বিষয়ে মন্তব্যের সময়ে সেনার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, এটা সেনার দোষ নয়। সেনা সবটা বিজেপির কথায় করেছে। দিল্লির কথায় করেছে। দিল্লির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় করেছে। এটুকু বুদ্ধি তাঁর আছে। তবে, তিনি সেনাকে দোষ দিচ্ছেন না। তিনি বিজেপি, ও তাদের মন্ত্রীকে দোষ দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলের মঞ্চ ভাঙতে সেনাকে অপব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







