গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

31 C
Kolkata
31 C
Kolkata
More
    Home Sports ট্রফির আরও কাছে আর্সেনাল

    ট্রফির আরও কাছে আর্সেনাল

    0
    8
    ছবি সৌজন্যে : সোশ্যাল মিডিয়া

    জয়টা বড় ব্যবধানের নয়, দাপুটে পারফরম্যান্সেরও নয়। তবে সিজনের এই পর্যায়ে আর্সেনালের কাছে সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

    কাই হাভার্টজের প্রথমার্ধের একমাত্র গোলে বার্নলিকে হারিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ট্রফির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল মিকেল আর্তেতার দল।এমিরেটস স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ৩৭তম রাউন্ডে বার্নলির বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পায় আর্সেনাল।এই জয়ে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে তারা। ২০০৩-০৪ সিজনের পর প্রথম লিগ ট্রফির স্বপ্ন এখন আরও উজ্জ্বল গানারদের সামনে।৩৬ ম্যাচে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ম্যানচেস্টার সিটি। তাদের হাতে আছে আরও দুই ম্যাচ।আর্সেনালের বাকি এক ম্যাচ, শেষ রাউন্ডে ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে খেলবে তারা। তাই পাঁচ পয়েন্টের ব্যবধান গড়লেও ট্রফির লড়াই এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।ঘরের মাঠে সিজনের শেষ লিগ ম্যাচ ঘিরে শুরু থেকেই ছিল উৎসবের আবহ। কিক অফের আগেই নানা রঙের ফ্লেয়ার, গান আর করতালিতে এমিরেটসের ভেতর-বাইরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন আর্সেনাল সমর্থকরা। ১৩ মিনিটে বুকায়ো সাকার শট ডিফেন্ডারের মাথায় লেগে পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। সেই কর্নার থেকে হাভার্টজের বাঁ পায়ের শটও লক্ষ্যে থাকেনি।এরপর লেয়ান্দ্রো ট্রসাডের জোরালো শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ২৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে হুমকি তৈরির চেষ্টা করে বার্নলি। সতীর্থের ক্রস থেকে হান্নিবাল মেজেব্রির শট অবশ্য যায় পোস্টের অনেক বাইরে। কিছুক্ষণ পর ডান দিক থেকে সাকার নিচু ক্রস গোলমুখে গেলেও সেখানে কেউ ছিলেন না শেষ ছোঁয়া দেওয়ার জন্য।৩৪ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করে আর্সেনাল। বক্সের ভেতর বল দখলের লড়াইয়ে লুকাস পিয়ার্স সাকার পা মাড়িয়ে দেন। ভিএআরে দৃশ্যটি দেখা গেলেও নিজের সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি। ৩৭ মিনিটে সাকার কর্নার থেকে দারুণ হেডে বল জালে পাঠান হাভার্টজ। অনেকটা লাফিয়ে নেওয়া তার হেডে পরাস্ত হন বার্নলি গোলরক্ষক। গোলের পর আবারও উৎসবে ফেটে পড়ে এমিরেটসের গ্যালারি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ানোর ভালো সুযোগ এসেছিল। ৫৩ মিনিটে এবেরেচি এজের সাইড ভলি ড্রপ খেয়ে ক্রসবারের ওপরের দিকে লেগে বাইরে চলে যায়। এরপর বার্নলি কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও স্বাগতিক রক্ষণে বড় পরীক্ষা নিতে পারেনি। ৬৭ মিনিটে অহেতুক ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন হাভার্টজ। ভিএআর দেখে লাল কার্ডের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি। ৭৯ মিনিটে বার্নলি গোলরক্ষক ম্যাক্স ওয়েসিস ব্যাকপাস ক্লিয়ার করতে দেরি করলে বলের জন্য ছুটে যান ভিক্তর ইয়োকেরেশ। ওয়েসিস শট নেওয়ার সময় দুজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর্সেনাল ফাউলের আবেদন করলেও সাড়া দেননি রেফারি। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে আর্সেনাল গোলরক্ষক দাভিদ রায়া ও বার্নলির জিয়ান ফ্লেমিং উড়ে আসা বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে একসঙ্গে লাফিয়ে ওঠেন। সংঘর্ষের পর ফ্লেমিংকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।

    শেষ বাঁশির ঠিক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। কিন্তু কাইল ওয়াকারের কড়া চ্যালেঞ্জে শট নেওয়ার সুযোগই পাননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।