
প্রথম আধ ঘণ্টায় দু’ গোল হজম করা ইপ্সউইচ টাউন কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারল না। তাদেরকে উড়িয়ে ট্রফি লড়াইয়ে নিজেদের ক্ষীণ সম্ভাবনাটা অন্তত আরও কিছুদিনের জন্য বাঁচিয়ে রাখল আর্সেনাল। আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সেই পুরোনো ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। দলটিকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে দিয়েছে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ানডারার্স।
ছোট দল ইপ্সউইচের মাঠে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছে আর্সেনাল। আর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ১-০ গোলে জিতেছে উলভস।চলতি আসরে আর্সেনালের এটি ১৮তম জয়। ৩৩ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে তারা। এক ম্যাচ কম খেলে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে লিভারপুল।পোর্টম্যান রোর্ডে ম্যাচের শুরু থেকে প্রায় ৯০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে চতুদর্শ মিনিটে এগিয়ে যায় আর্সেনাল। বুকায়ো সাকার পাস মার্টিন ওদেগোরের পা ছুঁয়ে পেয়ে যান লেয়ান্ড্রো ট্রসাড, ডান পায়ের শটে দলকে এগিয়ে দেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড।চোট কাটিয়ে ফেরার পর থেকে দারুণ ফর্মে আছেন সাকা।একচেটিয়া চাপ ধরে রেখে ২৮ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলেও অবদান আছে তার।ডান দিক দিয়ে দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে আড়াআড়ি পাস দেন তিনি, হালকা টোকায় বল দূরের পোস্টে বাড়ান মিকেল মেরিনো এবং গোলরক্ষক অন্যদিকে ঝুঁকে থাকায় অনায়াসে গোলটি করেন গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি।অবনমন অঞ্চলের দল ইপ্সউইচের ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় আরও বড় ধাক্কা লাগে চার মিনিট পর। স্বদেশি ফরোয়ার্ড সাকাকে পেছন থেকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ইংলিশ ডিফেন্ডার ডেভিস।প্রথমার্ধের বাকি সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ানোর দারুণ দুটি সুযোগ পান সাকা,কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।
৬৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে দলকে বড় জয়ের পথে এগিয়ে নেন ট্রসাড। ডেক্লান রাইসের পাস ডি-বক্সে ধরে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। আর ৮৮ মিনিটে দলের চতুর্থ গোলটি করেন ইথান নোয়ানেরি।অন্যদিকে ,ক দিন আগে, ইউরোপা লিগে লিওঁর বিপক্ষে ৫-৪ গোলের অবিশ্বাস্য জয়ের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘরোয়া লিগে ফিরে আবারও ব্যর্থ হলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।অবশ্য বল দখলের পাশাপাশি আক্রমণে আধিপত্য করে তারা,কিন্তু জালের দেখা পায়নি কেউ।
