
মহাকাশ গবেষণায় নতুন ইতিহাস গড়তে চাঁদের প্রভাব বলয়ে প্রবেশ করেছে নাসার আর্টেমিস টু নভোচারীরা। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম চারজন নভোচারী মানুষের তৈরি কোনো যানে চড়ে পৃথিবী থেকে এতটা দূরে গেলেন।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় চাঁদের ফার সাইড বা, দূরবর্তী অংশ প্রদক্ষিণ করার কথা রয়েছে নভোচারীদের, যা মানুষকে পৃথিবী থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে নিয়ে যাবে এবং অ্যাপোলো ১৩-এর দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভাঙবে।বলা হচ্ছে,চাঁদের প্রভাব বলয়ে প্রবেশের মাধ্যমে মহাকাশযানটির ওপর এখন পৃথিবীর টানের চেয়ে চাঁদের মহাকর্ষ বলের প্রভাবই বেশি।আর্টেমিস টু মিশন শুরু হওয়ার ৪ দিন ৬ ঘণ্টা ২ মিনিট পর চাঁদ থেকে ৩৯ হাজার মাইল দূরত্বে থাকাকালীন এমন পরিবর্তনটি ঘটেছে।এ অভিযানের পরবর্তী ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এখন মহাকাশযানটি চাঁদের উল্টো দিক দিয়ে ঘুরে আসবে, যা মানুষকে মহাকাশের এমন গভীরে নিয়ে যাবে, যেখানে এর আগে কেউ কখনও পৌঁছাতে পারেনি।তাদের কক্ষপথের সর্বোচ্চ বিন্দুতে নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কোচ, ভিক্টর গ্লোভার ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন পৃথিবী থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৭ মাইল দূরে অবস্থান করবেন, যা অ্যাপোলো ১৩-এর ক্রুদের আগের রেকর্ডটি প্রায় ৪ হাজার মাইলেরও বেশি ব্যবধানে ভেঙে দেবে।এদিকে,চন্দ্রপৃষ্ঠের পাশ দিয়ে উড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এ সপ্তাহটি কাটিয়েছেন আর্টেমিস টু’র ক্রু সদস্যরা।
যার মধ্যে ছিল মহাকাশযানটি হাতে চালানোর মহড়া, ছ’ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ সময়ের বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন লক্ষ্য পর্যালোচনা এবং তাদের স্পেস স্যুটগুলো পরীক্ষা করা।এসব বিশেষ স্যুট কোনো জরুরি অবস্থায় জীবন রক্ষার জন্য ও পৃথিবীতে ফিরে আসার সময় ব্যবহার করবেন নভোচারীরা।









