
দফায় দফায় পুলিশি ধরপাকড়ের মধ্যে স্বাস্থ্যভবনের সামনে উঁচু ব্যারিকেডের ওপর আশাকর্মীদের কয়েকজন চড়ে বসতেই উত্তপ্ত হয়ে পরিস্থিতি। ব্যারিকেডের ওপরে উঠেই নিজেদের দাবি আদায়ে স্লোগান দিতে থাকে।
ব্যারিকেড টপকে যাওয়ার চেষ্টা করতেই পাল্টা পুলিশ আশাকর্মীদের কার্যত ঠেলে সেখান থেকে নামিয়ে দেয়। দাবি মানা না হলে সরকার বদলের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। আশাকর্মীদের অভিযোগ তাঁদের ৮ দফা দাবি নিয়ে বুধবার আলোচনায় ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করা হয়েছে। সকাল থেকে দিকে দিকে ধরপাকড়ের মধ্যে আশাকর্মীদের একটা অংশ স্বাস্থ্যভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করতেই ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে আটক আশা কর্মীদের বাসে তোলে পুলিশ। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্বাস্থ্যভবন চত্বরে। আশাকর্মীদের আটকাতে রাস্তার ওপর লোহার উঁচু ব্যারিকেড বসায় পুলিশ। সকাল থেকেই স্বাস্থ্যভবন চত্বরে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ করে দেওয়া হয়। কেউ যাতে ব্যারিকেড টপকে উল্টো দিকে যেতে না পারে তারও বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মাইকিং করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। যত বেলা বাড়ছে ততই ততই জমায়েত বাড়ছে আশাকর্মীদের। সেখানে বসেই বিক্ষোভ শুরু করেন আশাকর্মীরা। প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে থাকেন। ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা, অবিলম্বে সমস্ত বকেয়া সহ একাধিক দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছেন আশাকর্মীরা। নিজেদের দাবি আদায়ে ২৯ দিন ধরে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতি পালন করছেন তাঁরা।
বুধবার স্বাস্থ্যভবনে ডেপুটেশন জমা দিতে যাওয়ার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বাধা মুখে পড়েন আশাকর্মীরা। আশাকর্মীদের এই আন্দোলন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।





