
ব্যথা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে বহুল ব্যবহৃত একটি ওষুধ অ্যাসপিরিন। সাধারণত হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতেও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এ ওষুধটি গ্রহণ করেন।
তবে, নতুন গবেষণা বলছে,কিছু মানুষের জন্য অ্যাসপিরিন গ্রহণের বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাদের হার্ট ফেলিওরের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে এটি।এদিকে,হার্ট ফেলিওর একটি গুরুতর শারীরিক অবস্থা,যেখানে হার্ট কার্যকরভাবে পুরো দেহে রক্ত পাম্প করতে পারে না।ফলে শ্বাসকষ্ট, খুব ক্লান্তি বোধ এবং পা ও গোড়ালিতে ফোলাভাবের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।তবে এর মানে এই নয় যে,হার্ট পুরোপুরি কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে,এর মানে হচ্ছে এটি দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং যতটা সক্ষমতার সঙ্গে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালন করা উচিত ততটা সক্ষমতার সঙ্গে রক্ত সঞ্চালন করতে পারছে না।অন্যদিকে,উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলত্ব, ধূমপান ও হৃদরোগের মতো নানা কারণ হার্ট ফেলিওরে ভূমিকা রাখে।
এর কোনও নিরাময় নেই, তবে বেশিরভাগ সময় ওষুধ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি সামলে নেন চিকিৎসকরা।অ্যাসপিরিন গ্রহণের সঙ্গে হার্ট ফেলিওরের কোনও সংযোগ রয়েছে কি না খতিয়ে দেখেছেন ইউনিভার্সিটি অফ ফ্রেইবার্গ-এর একদল গবেষক।








