
বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বাংলা-সহ ৫টি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
বাংলা ছাড়াও ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে রয়েছে মারাঠি, পালি, প্রাকৃত এবং অসমিয়া। বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সব সময় ভারতীয় ভাষার দিকে মনোনিবেশ করেছেন।তাই আরও ৫টি ভাষা যেমন মারাঠি, পালি, প্রাকৃত, অসমিয়া এবং বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।আর এই ঘোষণার পরেই এক্স বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, তাঁর সরকার ভারতের ঐতিহ্য সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সংস্কৃতিকে সম্মান জানাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিন যে ৫টি ভাষাকে ক্লাসিকাল ল্যাংগুজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তাতে ভারতের বর্ণবহুল বৈচিত্রকেই সম্মান জানায়।অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, অবশেষে বাংলাকে ভারত সরকার ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। রাজ্য সরকার কেন্দ্রকে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য দাবি করেছিল। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবি মেনে নিয়েছে। এরপরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এই পদক্ষেপ সকলের বাঙালিদের জন্য দুর্গাপুজোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপহার। বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, দীর্গকাল ধরে প্রতিটি বাঙালির মাতৃভাষাকে ঘিরে যে স্বপ্ন তা আজ পূর্ণ হল নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে। একজন বাঙালি হিসেবে তিনি শুধু গর্বিত নয় আপ্লুত বলেও বর্ণনা করেছেন সুকান্ত মজুমদার। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতেই বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতির দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে একাধিক রাজ্যে নির্বাচনের আবহে বাংলা-সহ ৫টি ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
