
চমৎকার দুই গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিল অ্যাস্টন ভিলা। বিরতির পর তারা ব্যবধান বাড়াল আরও। একপেশে লড়াইয়ে ফ্রেইবুর্ককে হারিয়ে ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন হলো উনাই এমেরির দল।
ইস্তানবুলের বেসিকতাস পার্কে ফাইনালে ৩-০ গোলে জিতেছে ভিলা। ইউরি টিয়েলেমান্স দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর,ব্যবধান বাড়ান এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া। তৃতীয় গোলটি করেন মর্গ্যান রজার্স। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি এর আগে শেষ ট্রফি জিতেছিল ১৯৯৫-৯৬ সিজনে, ইংলিশ লিগ কাপ। ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় তাদের আগের সাফলের গল্প তো আরও পুরনো,সেই ১৯৮১-৮২ সিজনে ওই সময়ের ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছিল ক্লাবটি।উনাই এমেরির ছোঁয়ায় সব খরা এক দিনেই দূর হলো।ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের দ্বিতীয় সেরা এই প্রতিযোগিতায় কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি ট্রফি জয়ের রেকর্ড আগে থেকেই এমেরির দখলে। পঞ্চমবার জিতে সেটাই আরও পোক্ত করলেন স্প্যানিয়ার্ড এমেরি, সেভিয়ার হয়ে টানা তিনবার জয়ের পর, শেষ ২০২০-২১ আসরে আবার এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন তিনি ভিয়ারিয়ালের হয়ে।প্রতিযোগিতাটি মোট ছ’বার ফাইনালে উঠে পাঁচবারই সফল এমেরি। কেবল একবার জিততে পারেননি আর্সেনালের ডাগআউটে থেকে, ২০১৮-১৯ সিজনে।স্বপ্ন পূরণের মিশনে নেমে ৪১ মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ভিলা। বাঁ দিক থেকে ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় দারুণ ক্রস বাড়ান মর্গ্যান রজার্স, ছুটে গিয়ে দুর্দান্ত ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার টিয়েলেমান্স।এগিয়ে যাওয়ার আনন্দের মাঝেই বিরতির আগমুহূর্তে আরেকটি চমৎকার গোল করেন বুয়েন্দিয়া। ডি-বক্সের বাইরে সতীর্থের পাস পেয়ে, একটু আড়াআড়ি এগিয়ে শট নেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার, বল হাওয়ায় একটু বাঁক নিয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়।৫৮ মিনিটে জয়ের পথে আরও এগিয়ে যায় ভিলা। বাঁ দিকে একজনকে কাটিয়ে গোলমুখে পাস দেন বুয়েন্দিয়া, আর সঙ্গে লেগে থাকা একজনের চ্যালেঞ্জ সামলে ছোট্ট টোকায় বল জালে পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার রজার্স।
১২ মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো, তবে আমাদু ওনানার হেড পোস্টে বাধা পায়। অবশ্য আরেকটি গোল হজম করা থেকে বেঁচে গেলেও, লড়াইয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই করতে পারেনি ফ্রেইবুর্ক।








