
এবার বাংলাদেশের উত্তরায় ইসকনের সদস্যর উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবারই ঢাকায় ভারতের সঙ্গে বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশের।
তারপরেই রাজধানীর উত্তরায় ইসকনের সদস্যর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস।একই সঙ্গে মানবাধিকার দিবসে মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, বাংলাদেশে যে ভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, তা গভীর উদ্বেগের।অন্যদিকে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষায় এবার রাষ্ট্রপুঞ্জের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট। একইসঙ্গে জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবি জানিয়েছে তারা। বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অতীতের অন্যান্য সরকারের মত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও সংখ্যালঘুদের দমন করার চেষ্টা করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব হলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কোনও কথা বা রাষ্ট্রপুঞ্জের নিয়মনীতি তিনি মানছেন না।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষায় রাষ্ট্রপুঞ্জের সহায়তা চেয়েছেন তারা। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা ভাল নেই। তাদের মানবাধিকার রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের।








