ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ অস্ট্রেলিয়ার

0
183
ছবি সৌজন্যে : এক্স

গ্রেনাডা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩৩ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিত করল অস্ট্রেলিয়া।সেই ১৯৯৫ সালে রিচি রিচার্ডসনের ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে স্যার ফ্র্যাঙ্ক ওরেল ট্রফি নিজেদের কাছে এনেছিলেন মার্ক টেইলরের অস্ট্রেলিয়া।সেই থেকে সেটি আর হাতছাড়া করেনি তারা। এই ৩০ বছরে ১৪ সিরিজের ১২টিই জিতেছে অস্ট্রেলিয়ানরা,ড্র হয়েছে দুটি।

টেস্টের চতুর্থ দিনে ২৭৮ রানের লক্ষ্যে ১৪৩ রানেই শেষ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।অস্ট্রেলিয়ার সব বোলার ভাগাভাগি করে নেন উইকেটগুলো। ৪১.৩ ওভারেই পতন হয় ১৩ উইকেটের।৭ উইকেটে ২২১ রান নিয়ে দিন শুরু করা অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস শেষ হয় আর কেবল ২২ রান যোগ করেই। ২৬ রান নিয়ে শুরু করে অ্যারেক্স কেয়ারি বিদায় নেন ৩০ রানেই। লোয়ার অর্ডারও দলকে টানতে পারেনি বেশি দূর।আগের দিনের দু উইকেটের সঙ্গে আরও দুইটি যোগ করেন শামার জোসেফ। সিরিজের দু’ টেস্টে তার উইকেট হলো ১৪টি। ১০ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে তার উইকেট সংখ্যা এখন ৪৩। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার টেস্টেই উইকেট ২৭টি।রান তাড়ায় শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং।দ্বিতীয় ওভারেই জন ক্যাম্পবেলকে শূন্য রানে ফেরান জশ হেইজেলউড।তিনে নামা কেসি কার্টিকে দ্রুত ফেরান মিচেল স্টার্ক। বাউ ওয়েবস্টার আক্রমণে এসে বিদায় করেন ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে। শততম টেস্টে তার রান ০ ও ৭।সিরিজের চার ইনিংসে তার রান ১৫। গত বছরের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে এই সিরিজ পর্যন্ত ২৮ ইনিংসে তার ফিফটি স্রেফ দুটি।

প্রথম ইনিংসে ৭৫ রান করা ব্র্যান্ডন কিং এবার ১৪ রানেই বোল্ড কামিন্সের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ৪ উইকেটে ৩৩।পঞ্চম উইকেটে শেই হোপ ও রোস্টন চেইস যোগ করেন ৩৮ রান। আর কোনো জুটি ৩০ ছুঁতে পারেনি। দুই ছক্কায় ৩৪ রান করা অধিনায়ক চেইসকে ফেরান স্টার্ক। শেষ দিকে দুটি ছক্কা মারেন আলজারি জোসেফ, তিন ছক্কায় ২৪ করেন শামার জোসেফ।