
আট দিন পেরিয়ে গেলেও তেলঙ্গানার সুড়ঙ্গে এখনও আটকে রয়েছেন আট শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধারের জন্য দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন কয়েকশো উদ্ধারকারী। এ বার আরও গতি বাড়ানো হয়েছে উদ্ধারকাজের। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুরোদমে শুরু হয়েছে সুড়ঙ্গের ভিতর থেকে কাদামাটি সরানোর কাজ। সরঞ্জাম এবং কর্মীসংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সোমবারের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কনভেয়র বেল্টটিও সারানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। ফলে আরও গতি বাড়বে উদ্ধারকাজের। সুড়ঙ্গ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। এই ঘটনার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ভারত রাষ্ট্র সমিতি-র প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের সরকারকেই দায়ী করেছেন রেবন্ত। তাঁর কথায়, পূর্ববর্তী সরকার সেচ প্রকল্পে অযথা বিলম্ব না করলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না!
রেবন্তের বিরুদ্ধে গাফিলতি, দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে না যাওয়া— ইত্যাদি নানা পাল্টা অভিযোগে সরব হয়েছে বিআরএস এবং বিজেপি। ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ তেলঙ্গানার ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ শ্রীশৈলম সুড়ঙ্গের একাংশ আচমকাই ধসে পড়ে। সাড়ে ১৩ কিলোমিটার ভিতরে আটকে পড়েন আট শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধারের জন্য প্রায় ৫০০ জন উদ্ধারকারী নিরন্তর কাজ করে চলেছেন।





