অ্যাভাটার : ১৮ দিনে ১ বিলিয়ন আয়

0
79
ছবি সৌজন্যে : এক্স

বিশ্ব সিনেমাপ্রেমীদের সঙ্গে একযোগে মুক্তি পেয়েছিল জেমস ক্যামেরনের বহুল প্রতীক্ষিত কল্পবিজ্ঞানধর্মী সিনেমা সিরিজ অ্যাভাটার-এর তৃতীয় কিস্তি। ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘অ্যাভাটার’ সিনেমা বিশ্বজুড়ে যে আলোড়ন তুলেছিল তা আজও চলচ্চিত্র ইতিহাসে স্মরণীয়।

সেই ধারাবাহিকতায়  বক্স অফিসে অপ্রতিরোধ্য তার প্রমাণ দিল তৃতীয় কিস্তি,অ্যাভাটার ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ। মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় ছাড়িয়েছে ১ বিলিয়ন ডলার। ভ্যারাইটির তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটি আমেরিকায় আয় করেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার, আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে ৭৭৭ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক শূন্য তিরাশি বিলিয়ন ডলার।এর আগে ২০০৯ সালের অ্যাভাটার ১৭ দিনে এবং ২০২২ সালের অ্যাভাটার দ্য ওয়ে অব ওয়াটার মাত্র ১৪ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ঢুকে পড়েছিল। যদিও দুই সিনেমা পরে ইতিহাস গড়ে প্রথমটি আয় করে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, আর দ্বিতীয়টি ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।আগের দুই কিস্তির মতো এবারও বিদেশি দর্শকরাই সিনেমাটির বড় ভরসা। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় এসেছে চীন ১৩৮ মিলিয়ন ডলার, ফ্রান্স ৮১ মিলিয়ন, জার্মানি ৬৪ মিলিয়ন ও দক্ষিণ কোরিয়া ৪৪ মিলিয়ন থেকে।উল্লেখ্য করোনা পরবর্তী সময়ে প্রথমবারের মতো ডিজনির বার্ষিক বিশ্বজুড়ে আয় ৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে,যা স্টুডিওটিকে বাজারে শীর্ষ অবস্থানে রেখেছে। গল্পের দিক থেকে ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ-এ আবারও দেখা গেছে জেক সালি , নেইতিরি ও তাদের পরিবারকে। এবার তারা মুখোমুখি হয়েছে এক নতুন, আগুন-শক্তিসম্পন্ন শত্রুর।এই সিনেমা জেমস ক্যামেরনের ক্যারিয়ারের চতুর্থ ১ বিলিয়ন ডলার ক্লাবের সিনেমা।

টাইটানিক’সহ তিনটি ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করা সিনেমার পরিচালক হিসেবে ক্যামেরন ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছেন। তিনি পাঁচটি অ্যাভাটার ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করলেও সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন পরবর্তী কিস্তিগুলো হবে কি না, তা নির্ভর করবে,অ্যাভাটার ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ সিনেমার আর্থিক সাফল্যের ওপর।