অ্যাভাটার : ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ ঝড় তুলবে

0
86
ছবি সৌজন্যে : এক্স

জেমস ক্যামেরনের জাদুকরী সৃষ্টি অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি,অ্যাভাটার ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ নিয়ে এখন হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রজেকশন অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই ,ওপেনিং উইকেন্ড, সিনেমাটি মার্কিন বক্স অফিসে ৯০ থেকে ১০৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে।

আর বিশ্বজুড়ে এর আয় ৩৪০ থেকে ৩৬৫ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।নতুন কিস্তিতে অ্যাশ পিপল বা ছাইয়ের মানুষদের সঙ্গে পরিচয় করানো হবে। এরা আগ্নেয়গিরি অঞ্চলে বাস করে এবং আগের জাতিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ও ক্রোধপরায়ণ।প্রথম দুটি পর্বে প্রকৃতিকে রক্ষার বিষয়টিতে জোর দেওয়া হয়েছিল। এই পর্বে আগুন একটি প্রধান থিম।এটি শুধু ধ্বংস নয়, বরং ক্রোধ এবং প্রতিহিংসার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।জেমস ক্যামেরন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সব না’ভিই ভালো হয় না,এই মুভিতে না’ভিদের মধ্যকার অন্ধকার দিকগুলো দেখানো হবে।আগের কিস্তিগুলোতে লড়াই ছিল মূলত মানুষ বনাম না’ভিদের মধ্যে। কিন্তু ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ-এ জেইক সালি এবং নেইতিরির পরিবারকে তাদের নিজেদের জাতির ,না’ভি-র মধ্য থেকেই আসা নতুন শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। অর্থাৎ, এবারের লড়াইটা হবে না’ভি বনাম না’ভি।দর্শকরা প্যান্ডোরার নতুন নতুন ভৌগোলিক অঞ্চল দেখতে পাবেন।আগ্নেয়গিরির লাভা-ঘেরা পরিবেশ এবং সেই প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা না’ভিদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা হবে এই সিনেমার অন্যতম বড় আকর্ষণ।এদিকে রেকর্ডের হাতছানি জেমস ক্যামেরনের আগের দুটি সিনেমা, ২০০৯ সালের অ্যাভাটার এবং ২০২২ সালের অ্যাভাটার দ্য ওয়ে অব ওয়াটার, দুটিই বিশ্বজুড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।

যদি ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ একই সাফল্য পায়, তবে এটিই হবে ইতিহাসের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি যার তিনটি কিস্তিই ২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করবে।বর্তমানে ক্যামেরনই একমাত্র পরিচালক যার তিনটি সিনেমা,টাইটানিকসহ, ২ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে রয়েছে।