
বাংলাদেশে আওয়ামী লিগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মহম্মদ ইউনুসের সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিজ্ঞপ্তি জারি করে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় থেকে সেটি কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার গঠনের পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লিগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সদস্য ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর হামলা, গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন নিপীড়নমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।
মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, সরকারের কাছে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে যে আওয়ামী লিগ দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনসুরক্ষার পক্ষে ক্ষতিকর শক্তি। সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসদমন আইনে আওয়ামী লিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হল। এরমধ্যে অনলাইন কার্যক্রমও রয়েছে। ফলে সোমবার রাতে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সভা করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।








