
নিজের অফিসে বসে কাজ করাকালীনই ইজরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তাঁর সঙ্গে মৃত্যু হয় তাঁর কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার দাবি ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের।
এরপরই ইরান জুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানের বাহিনী রেভলিউশনারি গার্ড জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে তারা শোকাহত। তবে প্রত্যাঘাত হবে। আমেরিকা এবং ইজরায়েলের বাহিনীকে নিশানা করে ইতিহাসের সবচেয়ে তীব্র হামলা’র হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। এদিকে, ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরও মৃত্যু, খবর সংবাদমাধ্যমে। ইরানের আরও ৬ নেতার মৃত্যুর খবর, অস্বীকার তেহরানের। আক্রমণে ইরানের ৭ সেনাকর্তার মৃত্যু, দাবি আইডিএফ-এর।
তবে, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পরেও যে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ বন্ধ হচ্ছে না, তার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি জানিয়েছেন, ইরানে শান্তি ফেরাতে আরও অন্তত এক সপ্তাহ সেখানে বোমাবর্ষণ চলবে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও সেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।







