
বিকট শব্দে ঘুম ভাঙার পর, নিমেষের মধ্যে ধেয়ে আসে বরফের স্রোত। বদ্রীনাথের তুষারধসের আতঙ্ক এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে সেখান থেকে ফেরা শ্রমিকদেরকে। উত্তরাখণ্ডের বদরীনাথের অদূরে চামোলী জেলার মানা গ্রামের এক অস্থায়ী ক্যাম্পে শ্রমিকরা ছিলেন। প্রবল ঠান্ডার কারণে ধাতব আস্তানার মধ্যে ঘুমোচ্ছিলেন বহু শ্রমিক। তার আগের দিন টানা অনেক ক্ষণ কাজ করেছিলেন। ফলে গাঢ় ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন তিনি।
এক শ্রমিকের কথায়, আচমকাই বজ্রপাতের মতো শব্দ পাওয়া যায়। সেই আওয়াজেই ঘুম ভাঙে। ক্যাম্পের নিমেষের মধ্যে সবকিছু সাদা হয়ে যায়। পাশাপাশি তুষারধসে আটকে পড়েছিলেন আরও এক শ্রমিক । তাঁর অভিজ্ঞতাও অন্যদের মতোই। তাঁর কথায়, গত কয়েক দিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ ছিল। শুক্রবার সকালে বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। কন্টেনার থেকে বাইরে বেরিয়ে দেখতে পাওয়া যায় উপর থেকে তুযারের স্রোত ধেয়ে আসছে।
সঙ্গে সঙ্গে কন্টেনারের মধ্যে ঢুকে অন্যদের সতর্ক করেছিলেন। তার পর বেরিয়ে দৌড়। কিন্তু পুরু বরফ জমে ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ উদ্ধার করে।শুক্রবার উত্তরাখণ্ডে তুষারধস নামে। মানা বর্ডার রোড অর্গানাইজ়েশন বা বিআরও-র অন্তত ৫৫ জন শ্রমিক আটকে পড়েন। এখনও পর্যন্ত ৪৬ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। চার জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে পাঁচ জন এখনও আটকে তুষারধসে।







