
এবার বাংলাদেশে শুট অন সাইট জারি করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনার সরকার।অর্থাৎ দেখামাত্রই গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে। কোটা সংস্কারের দাবিতে কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে যে আন্দোলন চলছে, তাতে এখনও পর্যন্ত শতাধিকেরও বেশি মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার রাতেই বাংলাদেশে জারি করা হয়েছে কার্ফু।বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। কার্ফু জারি হওয়ার পর থেকে দেশের রাস্তা সুনসান। রাস্তায় রাস্তায় টহল দিয়েছে সেনা। রাজধানী ঢাকার রাস্তায় দেখা গিয়েছে সেনার সাঁজোয়া গাড়ি। রবিবারও বাংলাদেশে কার্ফু জারি রয়েছে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কার্ফুর কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কমবে বলেই মনে করছে সরকার।এদিকে, বাংলাদেশের পরিস্থিতি মন্তব্য করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জও। বার্তা দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারকেও। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগের প্রধান ভলকার টার্ক বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ছাত্রদের উপর হামলা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। বাংলাদেশ সরকার যদিও নরমে-গরমে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার চেষ্টা করে চলেছে।ইতিমধে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর অন্যতম কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তথা শীর্ষ স্তরের নেতা নাহিদ ইসলামকে। প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকেও আটক এবং গৃহবন্দি করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীদের একাংশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সমান্তরাল প্রচেষ্টা চালাচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার।
