
বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা।
বৃহস্পতিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনও পরিস্থিতি রাখেনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যদি রাজপথ থেকে সরানো না হয়, হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, গুলি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।তাদের দাবি, কেবল কোটা সংস্কার করলেই সমাধান হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার তাদের দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে।এদিন দুপুরেই বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, শিক্ষার্থীদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার কোটা সংস্কারের ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসতে রাজি সরকার।আলোচনার জন্য দুজন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।








