
কোনও বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থাকে বাংলাদেশ ব্ল্যাকমেল করতে দেবে না। আদানি গোষ্ঠীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তিকালীন সরকার।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ এবং শক্তি দফতরের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবীর খান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো সম্ভব। দেশে প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের মধ্যে আদানিরা মাত্র এক-দশমাংশের জোগান দেন। এই প্রসঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর নাম করেই মুহাম্মদ ফাওজুল কবীর খানের হুঁশিয়ারি, কোনও বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থাকে বাংলাদেশ সরকার ব্ল্যাকমেল করতে দেবে না।যদি পূর্বতন শেখ হাসিনা সরকারের চুক্তিতে কোনও অস্বাভাবিকতা থাকে, তবে তা পুনরায় আলোচনা করতে হবে। তবে দুর্নীতি বা ঘুষের মতো অনিয়ম থাকলে চুক্তি বাতিল করতে হবে। উভয় সিদ্ধান্তই আদালতের নির্দেশিত তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হবে। যদিও বাংলাদেশের এই চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর তরফে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আদানি গোষ্ঠী বাংলাদেশে এক ইউনিট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪.০২ টাকা নিত। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে অবশ্য বিদ্যুতের মাশুল কিছুটা কমিয়ে ইউনিট পিছু ১২ টাকা করা হয়। বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সে দেশে এক ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে গড়়ে ৮ টাকা ৭৭ পয়সা খরচ করতে হয়। খুচরো বাজারে বিদ্যুতের দাম ৮ টাকা ৯৫ পয়সা।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দামের থেকেও কম দামে আদানিদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে চাইছে বাংলাদেশ।






