
বাংলাদেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি,দাবি করেছে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং জন সম্পদ মন্ত্রকের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন,বাংলাদেশে,ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকারে কোনও আলোচনা হয়নি।
তাঁর কথায়,অনেকে দাবি তুলতে পারে। জনগণ তাদের দাবি আদায়ের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে। তবে সরকার ব্যক্তি অপরাধের সঙ্গে সংগঠনের অপরাধকে মিলিয়ে ফেলছে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি দোষী হতে পারেন বা নাও হতে পারেন। তবে সেটা আদালতের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসকন জানিয়েছে,সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ ঐক্যজোটের মুখপাত্র চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীকে সমর্থন করেন তারা।এর আগে সংগঠনের তরফে বলা হয়েছিল, চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর কোনও কাজের দায় ইসকন নেবে না। কারণ, তিনি ইসকনের কেউ নন। এদিকে, ইসকন বাংলাদেশের ১৬ জন সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেনও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশ পাঠিয়েছে বিএফআইইউ। অন্যদিকে,চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারিতে তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে ব্রিটিশ সংসদে। বিরোধী কনজারভেটিভ দলের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান সংসদে এই প্রসঙ্গ তুলেছেন। চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী এবং ইসকন প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যে অবস্থান নিয়েছে, তার বিরোধিতাও করেছেন তিনি। ব্রিটিশ সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ সাংসদ বলেছেন, বাংলাদেশের সরকারে যাই পরিবর্তন আসুক না কেন, কোনও অবস্থাতেই সংখ্যালঘুদের উপর এই ধরনের অত্যাচার সমর্থন করা যায় না। সারা বিশ্বেই ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
