
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করতে ফের নয়াদিল্লি আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২১ জুন তিনি দিল্লি পৌঁছবেন।
তার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে উঠতে পারে তিস্তা-সহ ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ৫৩টি নদীর প্রসঙ্গ।বলা হচ্ছে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, যোগাযোগ, অভিন্ন নদীগুলোর জলবণ্টন, স্থল ও সমুদ্র সীমায় বিরোধ নিরসন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা,ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনা হবে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকে।বস্তুতঃ দুই দেশের সীমান্ত বিরোধ মিটলেও সীমান্তে পাচার ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে অস্বস্তি যেমন রয়ে গিয়েছে, তেমনই আবার এক যুগ পেরিয়ে গেলেও তিস্তা চুক্তির জট খোলা যায়নি। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা চুক্তির কার্যকালও শেষ হচ্ছে ২০২৬-এর ডিসেম্বরে। তার পুনর্নবীকরণের কাজ শুরু করার বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে পারে। অন্যদিকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান উপলক্ষে দিল্লি ঘুরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কিন্তু কাজের আলোচনার সময় মেলেনি, তখন তা সম্ভবও ছিল না। এই অবস্থায়, ২১ জুন শেখ হাসিনার এই সফর পূর্বনির্ধারিত ছিল বলেও জানাচ্ছে কূটনৈতিক সূত্র। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচন চলার সময়েই মে মাসে ঢাকা গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশসচিব বিনয় কোয়াত্রা। সেই সময়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান। তখনই জানানো হয়, ভারতের নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই দিল্লি আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়েছিল। দু’ বছর পর দিল্লিতে দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রীরা আবার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন।
