
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী অভিযোগ তুলে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকা-সহ বাংলাদেশের একাধিক জায়গায় ভারতকে শত্রু রাষ্ট্র ঘোষণার দাবি তুলে পোস্টার লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। এরমধ্যে নরওয়ের নোবেল কমিটিকে চিঠিও দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। চিঠিতে পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ দাবি করেছেন, মুহাম্মদ ইউনূসের অধীনে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের গণহত্যা হচ্ছে। বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের কলোনিগুলিতে আক্রমণ করা হচ্ছে। আর সেটা হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারি মদতে। এখানেই শেষ নয়, সংখ্যালঘুদের স্বাধীনতা হরন করা হয়েছে। চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেফতারির উদাহরণ তুলে বিজেপি সাংসদ ওই চিঠিতে দাবি করেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মগুরুদের বিভিন্ন ভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।এই প্রসঙ্গে আরেক নোবেলজয়ী গণহত্যাকারী হেনরি কিসিঞ্জারের প্রসঙ্গ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। এদিকে, বাংলাদেশে অশান্তির মধ্যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিএনপি চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার প্রয়োজন হলে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি সহযোগিতা করবে বলে জানানো হয়েছে। তবে শুধু চিনা রাষ্ট্রদূত নয় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাকিস্তানের কূটনীতিবিদরাও।অন্যদিকে বাংলাদেশের কারা বিভাগের ডিজি জানিয়েছেন, ৮ অগস্ট মুহাম্মদ ইউনূস সরকার গঠিত হওয়ার পরে এই চার মাসে ১১ জন শীর্ষস্থানীয় দুষ্কৃতী এবং ১৭৪ জন জঙ্গিকে জেল থেকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময়ে বিভিন্ন জেল ভেঙে বার করে নেওয়া বন্দিদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন এখনও ধরা পড়েনি। তাদের বেশির ভাগই বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য।









