বার্সাকে আবারও রুখে দিল কাদিস

0
1

প্রথমার্ধের বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পর ম্যাচের দ্বিতীয় ভাগে একটু জ্বলে ওঠার আভাস দিয়েছিল বার্সেলোনা।তবে ফ্রেংকি ডি ইয়ং বহিষ্কার হওয়ার পর আবার তারা দিকহারা।সুযোগ বুঝে চাপ দিয়েছিল কাদিস, তাতে ঘর সামলাতে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়েছে বার্সেলোনাকে।

শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট মিললেও রোনাল্ড কুমানের দলের জন্য যা কোনোভাবেই স্বস্তির নয়।কাদিসের মাঠ থেকে লা লিগার ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করে ফিরেছে বার্সেলোনা।এবারের লিগে পাঁচ ম্যাচে টানা দু’ ও মোট তিনটিতে পয়েন্ট হারাল তারা। পয়েন্ট টেবিলে বেশ পেছনেই।সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ১০ দিনে এই নিয়ে তিন ম্যাচ জয়শূন্য রইলো বুসকেতস-পিকেরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর লা লিগায় গ্রানাদার বিপক্ষে কোনোমতে হার এড়িয়েছিল বার্সেলোনা।বরাবরের মতো বল দখলে আধিপত্য করে বার্সেলোনা। তবে প্রতিপক্ষকে ভাবানোর মতো খুব বেশি কিছু করতে পারেনি তারা। কাদিসের মাঠে এই নিয়ে টানা দু’ ম্যাচে জয়শূন্য রইলো বার্সেলোনা। ডিসেম্বরের ম্যাচটিতে নিজেদের দুই ভুলে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা। পরে গত সিজনের ফিরতি লেগে বার্সেলোনাকে তাদের মাঠেও রুখে দিয়েছিল ১৫ বছর পর সেবারই লিগে ফেরা দল, কাদিস।২৭ মিনিটে একটি হাফ-চান্স তৈরি করে বার্সেলোনা। ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের ক্রস ঠেকাতে যদিও তেমন বেগ পেতে হয়নি গোলরক্ষক হেরেমিয়াস লেদেসমার। খানিক পর ভালো পজিশন থেকে দুর্বল শটে লেদেসমার হাতে বল তুলে দেন মেমফিস ডিপাই।বার্সেলোনা বিরতির পর প্রথম ১০ মিনিটে দারুণ দুটি সুযোগ পায়। ৫০তম মিনিটে সতীর্থের ক্রস ছ’ গজ বক্সের মুখে পেয়ে শট নিতেই ব্যর্থ হন মেমফিস। দু’ মিনিট পর ডি-বক্সের বাইরে থেকে তার নেওয়া জোরালো শট ঝাঁপিয়ে ফেরান লেদেসমার।৫৯ মিনিটে গোলমুখে জটলার মধ্যে বল পেয়েও শট না নিয়ে সতীর্থের খোঁজে কাটব্যাক করেন মেমফিস। জায়গা মতো কেউ না থাকায় হতাশা বাড়ে বার্সেলোনার।ছয় মিনিট পরেই বড় ধাক্কা খায় বার্সেলোনা। মাঝমাঠে আলফোন্সো এসপিনোকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডি ইয়ং। টিভি রিপ্লে দেখে যদিও মনে হয়েছে, সিদ্ধান্তটি বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে পায়ে পায়ে সংঘর্ষের আগে বলে স্পর্শ করেছিলেন ডাচ মিডফিল্ডার।মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনের নৈপুণ্যে ৮০ মিনিটে বেঁচে যায় বার্সেলোনা। বদলি নেমেই মাঝমাঠে বল হারিয়ে ফেলেন রিকি পুস। সেই সুযোগে এসপিনো দ্রুত আক্রমণে উঠে ডান দিকে খুঁজে নেন সালভি সানচেসকে। তবে তার শট সময়মতো এগিয়ে গিয়ে রুখে দেন জার্মান গোলরক্ষক।