স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধারে নাম জড়াল বিডিও-র

0
488
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
নিউটাউনের যাত্রাগাছি থেকে দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিওর বিরুদ্ধে। ২৮ অক্টোবর নীলবাতি গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিলাকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।
পরের দিন যাত্রাগাছি বাগজোলা খালপাড়ের ঝোপ থেকে দেহ উদ্ধার হয় স্বপন কামিলার। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে রাজগঞ্জের বিডিও-র। স্বপন কামিলার বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের নীলদা পোস্ট অফিস এলাকার দিলমাটিয়া গ্রামে হলেও তিনি থাকতেন দত্তাবাদে। পরিবারের অভিযোগ ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদের সোনার দোকান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় স্বপন কামিলাকে। দোকানের মালিক গোবিন্দ বাগকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে গোবিন্দ বাগকে ছেড়ে দিলেও খোঁজ মেলেনি স্বপনের। পরে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় নিখোঁজ ডায়ের করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর যাত্রাগাছি বাগজোলা খালপাড়ের ঝোপের মধ্য থেকে দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি প্রশান্ত বর্ধন নামে ওই বিডিও স্বপনকে অপহরণ করেছেন। পরে স্বপনকে খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ অপহরণের দিন কয়েক আগে বিডিও প্রশান্ত বর্ধনের বাড়িতে চুরি হয়। অভিযোগ সেই চুরির মাল নাকি বিক্রি করা হয়েছিল ওই দোকানে।
তার খোঁজ নিতে নীলবাতি লাগানো গাড়িতে করে বিডিও প্রশান্ত বর্ধন দত্তাবাদের দোকানে গিয়েছিলেন। এরপরেই দোকান মালিক এবং স্বপন কামিলাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।