
স্থানীয় আদিবাসী মহিলা খুনের ঘটনায় বাঙালি যোগের অভিযোগ তুলে একের পর এক বাড়িতে এগুলি ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওড়িশার এক বাঙালি গ্রামে।
প্রায় ১০০ বাঙালি পরিবার সেখানে বসবাস করে। ঘটনাটি মারিওয়াদা পঞ্চায়েত এলাকার মালকানগিরির এম ভি ২৬ গ্রামের। গত ২ রা ডিসেম্বর রাখেলগুড়া গ্রামের কোয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলা বছর ৫৫ র লেক পদিয়ামির মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয় পোতেরু নদী থেকে। সেই থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। সেই নদীর পাশেই ছিল সুকুমার মণ্ডল নামে এক বাঙালি কৃষকের জমি। আদিবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই জমি নিয়ে সুকুমার ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে পদিয়ামির বিরোধ চলছিল। সেই আক্রোশ থেকেই নাকি পদিয়ামিকে অপহরণ করে খুন করে অভিযুক্ত ও তাঁর দলবল।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ওরা নির্বিচারে আমাদের বাড়ি-গাড়িতে আগুল ধরাচ্ছিল। কী আস্ফালন! কী নৃশংস! ঘরে ঢুকে ভাঁড়ার তছনছ করে দিয়েছে। একজনের ঘর থেকে সাত লাখ টাকা লুঠ করে নিয়ে গিয়েছে। মালকানগিরির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিনোদ পাটিল দাবি করেন, বাহিনী নামানোর পর পরিস্থিতি খানিক নিয়ন্ত্রণে আসে।








